এবার হুগলি জেলায় তৃণমূলের ভাঙন। ভদ্রেশ্বর পুরসভার চেয়ারম্যান সহ ৮ কাউন্সিলর পদত্যাগ করলেন। তাঁদের দাবি, বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের পরাজয়ের কারণে পুরসভা চালাতে সমস্যা হচ্ছিল। সেই কারণেই এই পদত্যাগ। বিধানসভা ভোটে তৃণমূলের বিপর্যয়ের পরে হুগলি জেলায় কোনও পুরসভায় এই প্রথম পদত্যাগের হিড়িক।

এবার হুগলি জেলায় তৃণমূলের ভাঙন। ভদ্রেশ্বর পুরসভার চেয়ারম্যান সহ ৮ কাউন্সিলর পদত্যাগ করলেন। তাঁদের দাবি, বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের পরাজয়ের কারণে পুরসভা চালাতে সমস্যা হচ্ছিল। সেই কারণেই এই পদত্যাগ। বিধানসভা ভোটে তৃণমূলের বিপর্যয়ের পরে হুগলি জেলায় কোনও পুরসভায় এই প্রথম পদত্যাগের হিড়িক। চন্দননগর বিধানসভার অন্তর্গত ভদ্রেশ্বর পৌরসভায় ২২টি ওয়ার্ড রয়েছে। বিরোধী শূন্য এই পুরসভার প্রায় ১৪টি ওয়ার্ডেই হার হয়েছে তৃণমূলের। ইন্দ্রনীল সেন চন্দননগর বিধানসভায় পরাজিত হয়েছেন ১৩ হাজার ভোটে। তারমধ্যে ভদ্রেশ্বরেও হার হয়েছে তাঁর।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

আজ ভদ্রেশ্বর পুরসভার এক্সিকিউটিভ অফিসারের কাছে পদত্যাগ পত্র জমা দেন তৃণমূল কাউন্সিলরা। দলের বিপর্যয়ে নৈতিক দায় নিয়ে পদত্যাগ করেছেন ভদ্রেশ্বর পুরসভার চেয়ারম্যান প্রলয় চক্রবর্তী। ইতিমধ্যেই বিভিন্ন পুরসভায় অনিয়মের অভিযোগ উঠে আসছে। সেই সব পুরসভায় তদন্ত হবে বলে জানিয়েছেন পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। ভদ্রেশ্বর পুরসভার আট তৃণমূল কাউন্সিলর পদত্যাগ করায় অবশ্য পুর বোর্ড চালাতে অসুবিধা হবে না। তৃণমূল সূত্রে খবর, ভাইস চেয়ারম্যান ফিরোজ খানের নেতৃত্বে চলবে বোর্ড।

ইস্তফা দেওয়ার পরে প্রলয় বলেন, "ব্যক্তিগত কারণে ইস্তফা দিয়েছি। মনে হয়েছিল কয়েক দিন ধরে, মানুষ যখন সমর্থন করেছিল, কাজ করেছি। এখন মানুষ যাদের সমর্থন করছে, তাদের কাজ করতে দেওয়া উচিত।" এদিকে, বিজেপির একাংশের কটাক্ষ, নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগে নাম জড়াতে পারে বলে আশঙ্কা করেই পদ ছাড়লেন ওই কাউন্সিলররা। যদিও প্রলয়ের দাবি তিনি কোনও দুর্নীতিতে যুক্ত নন। বলেন, "আমার পরিবারের কেউ বা দূরসম্পর্কের কোনও আত্মীয়ও পুরসভায় চাকরি করেন না। কাগজেকলমে দেখা যাবে, আগের চেয়ারম্যানের সময় নিয়োগ হয়েছিল। আমি চেয়ারম্যান হই ২০১৮ সালে। জনমতকে মান্যতা দিয়েই সরে যাচ্ছি।"

এর আগে দুর্নীতি-সহ নানা অভিযোগ করে ইস্তফা দিয়েছেন ডায়মন্ড হারবার পুরসভার আট তৃণমূল কাউন্সিলর। আরও দুই কাউন্সিলরের পদত্যাগ নিয়ে জল্পনা চলছে। খুব তাড়াতাড়ি তৃণমূল পরিচালিত পুরবোর্ড ভেঙে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে সেখানে।