Illegal Property Action: একদিকে চলছে নোটিস পাঠানোর কাজ এবং অন্যদিকে, বুলডোজার অ্যাকশন। রবিবার সকালে, কলকাতার তিনটি জায়গায় হানা দিল পুরসভা। তিলজলা, কসবা এবং বেলেঘাটা এলাকায় মোট তিনটি অবৈধ নির্মাণ ভাঙার কাজ শুরু করে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ঐ এলাকাগুলিতে নিরাপত্তার দায়িত্বে পুলিশের সঙ্গে কেন্দ্রীয় বাহিনীও রয়েছে।
Illegal Property Action: অবৈধ নির্মাণকে কোনও রেয়াত নয়। হাইকোর্টের নির্দেশে সকাল থেকেই শুরু বুলডোজার অ্যাকশন (illegal building demolition in kolkata)। উল্লেখ্য, অবৈধ নির্মাণ প্রসঙ্গে ইতিমধ্যেই জ়িরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করার কথা ঘোষণা করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (illegal property action)।

কলকাতার তিন জায়গায় চলছে বুলডোজার অ্যাকশন
সেই মোতাবেক কাজও শুরু হয়ে গেছে। একদিকে চলছে নোটিস পাঠানোর কাজ এবং অন্যদিকে, বুলডোজার অ্যাকশন। রবিবার সকালে, কলকাতার তিনটি জায়গায় হানা দিল পুরসভা। তিলজলা, কসবা এবং বেলেঘাটা এলাকায় সকাল থেকে অপারেশনস চলছে। মোট তিনটি অবৈধ নির্মাণ ভাঙার কাজ শুরু করে দেওয়া হয়েছে এই এলাকাগুলিতে। পাশাপাশি অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ঐ এলাকাগুলিতে নিরাপত্তার দায়িত্বে পুলিশের সঙ্গে কেন্দ্রীয় বাহিনীও রয়েছে।
সূত্র মারফত জানা গেছে, এই তিনটি অবৈধ নির্মাণের সঙ্গেই স্থানীয় তৃণমূল নেতারা যুক্ত ছিলেন। জানা যাচ্ছে, বেলেঘাটায় যে অবৈধ নির্মাণটি ভাঙার কাজ চলছে, সেটির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এলাকার তৃণমূল নেতা রাজু নস্কর। এমনকি, তিলজলা এবং কসবা এলাকার দুই অবৈধ নির্মাণের সঙ্গে স্থানীয় কাউন্সিলর কিংবা বরো চেয়ারম্যানের যোগসূত্র থাকার খবরও সামনে আসছে।
অবৈধ বহুতল ভাঙছে পুরসভা, সঙ্গে কেন্দ্রীয় বাহিনী
যদিও প্রত্যেকেই কার্যত, এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। স্বাভাবিকভাবেই, সবকটি অবৈধ নির্মাণ ভাঙার জন্য বুলডোজ়ারও আনা হয়েছে পুরসভার তরফে। অভিযোগ উঠছে, এই অবৈধ নির্মাণগুলির জন্য পুরসভা যে প্ল্যানের উপর অনুমোদন দিয়েছিল, উল্টে তা উপেক্ষা করেই এই বহুতলগুলি বানানোর কাজ শুরু হয়।
যেখানে সেখানে ৫ তলা, ৬ তলা বিল্ডিং তুলে দেওয়া হয়েছে। আবার কোথাও কোথাও দুটি ব্লকে বহুতল নির্মাণের কাজ হয়। পুরসভার তরফ থেকে জানানো হয়েছে, যেটা বেআইনি, সেটা বেআইনিই! বৈধ নির্মাণ বাদে সমস্ত বেআইনি নির্মাণকে ভাঙা হবে। সেইমতোই রবিবার, কলকাতার তিনটি এলাকায় কাজ শুরু হয়েছে। এলাকা ঘিরে রেখেছে পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী যৌথভাবে।

ইতিমধ্যেই কসবায় পৌঁছে গেছেন পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। তিনি জানিয়েছেন, “আমরা অবৈধ নির্মাণ চিহ্নিত করার কাজ শুরু করে দিয়েছি। এই সমস্ত অবৈধ নির্মাণের সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের সকলের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সেইসঙ্গে, দায়িত্বে থাকা পুরসভার আধিকারিক এবং কর্মীরাও ছাড় পাবেন না। আর এইসব অবৈধ নির্মাণ কীভাবে তৈরি হল? পুরসভা বা আগের মন্ত্রী কি কিছুই দেখেননি? সকলের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হবে। এই অবৈধ নির্মাণগুলি তৈরি করেছে সোনা পাপ্পু।"
প্রসঙ্গত, স্থানীয়দেরও একই অভিযোগ।
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।

