সাতসকালে বাড়ি থেকে উদ্ধার এক বৃদ্ধের হাত-পা বাঁধা মৃতদেহ। দাদুকে শ্বাসরোধ করে খুনের অভিযোগে ওই বৃদ্ধের নাতিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে শিলিগুড়িতে।

মৃতের নাম ফালগুনী ঘোষ। শিলিগুড়ি শহরের দেশবন্ধুপাড়ার রামকৃষ্ণ সরণীতে এক মেয়ে ও নাতির সঙ্গে থাকতেন তিনি। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, ওই বৃদ্ধের নাতি দিনরাত নেশায় বুঁদ হয়ে থাকতেন। বেহিসেবি জীবনযাপন করতেন, খরচেরও কোনও মাত্রা ছিল না। এই নিয়ে নাতির সঙ্গে বেশ কয়েকবার অশান্তি হয় ফালগুনীবাবুর। প্রতিবেশীদের অভিযোগ, বন্ধুদের সঙ্গে নিয়ে ওই বৃদ্ধকে শ্বাসরোধ করে খুন করেছেন তাঁর নাতিই। 

শুক্রবার সকালে বাড়ির শোয়ার ঘরে ফালগুনী ঘোষের হাত-পা বাঁধা মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখেন পরিবারের লোকেরা। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, মৃতের গলায় একটি মাফলারও জড়ানো ছিল। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, শ্বাসরোধ করেই খুন করা হয়েছে ফালগুনীবাবুকে। তবে ময়নাতদন্ত না হওয়া পর্যন্ত মৃত্যুর সঠিক কারণ বলা সম্ভব নয়। নিয়মমাফিক মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে পুলিশ। স্থানীয় বাসিন্দা ও পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতার করা হয়েছে মৃতের নাতিকেও।

দিন কয়েক আগে শিলিগুড়িতেই স্ত্রীকে খুন করে সটান ভক্তিনগর থানায় হাজির হয় এক যুবক। তার বয়ানে হতবাক হয়ে গিয়েছিলেন পুলিশকর্মীরাও। শহরের মহাকালিপল্লী এলাকায় একটি ভাড়া বাড়ি থেকে পুলিশ ওই যুবকের স্ত্রীর রক্তাক্ত মৃতদেহ উদ্ধার করে। ঘটনাটি জানাজানি হতেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বছর চারেক আগে স্ত্রীকে নিয়ে শিলিগুড়ির মহাকালীপল্লীতে একটি বাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকতে শুরু করেন স্বপন সাহা নামে ওই যুবক।  রোজই স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে অশান্তি হয়। পরিবারিক অশান্তির কারণে স্বপন স্ত্রীকে খুন করেছে অভিযোগ।