রাজ্যে পরিবর্তনের ইঙ্গিত। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বিজেপি রাজ্যের ১৯৩টি আসনে এগিয়ে রয়েছে। তৃণমূল এগিয়ে ৯৩টি আসনে। বাম জোট তিনটে এবং অন্যান্য ২টি আসনে এগিয়ে রয়েছে। আর এই ট্রেন্ড সামনে আসতেই রাজ্যজুড়ে বিজয় উচ্ছ্বাসে নেমে পড়েছেন বিজেপি নেতা কর্মীরা।

রাজ্যে পরিবর্তনের ইঙ্গিত। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বিজেপি রাজ্যের ১৯৩টি আসনে এগিয়ে রয়েছে। তৃণমূল এগিয়ে ৯৩টি আসনে। বাম জোট তিনটে এবং অন্যান্য ২টি আসনে এগিয়ে রয়েছে। আর এই ট্রেন্ড সামনে আসতেই রাজ্যজুড়ে বিজয় উচ্ছ্বাসে নেমে পড়েছেন বিজেপি নেতা কর্মীরা। কোথাও গেরুয়া আবির খেলায় মেতে উঠেছেন বিজেপি কর্মীরা, কোথাও আবার চলছে লাড্ডু, ঝালমুড়ি বিতরণ। এর মধ্যেই বিভিন্ন জায়গা থেকে ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনা সামনে আসছে। অশান্তির খবর আসতেই সতর্ক নির্বাচন কমিশন। সূত্রের খবর, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দিল নির্বাচন কমিশন। অশান্তির আশঙ্কা থেকেই কমিশনের এহেন পদক্ষেপ বলে জানা যাচ্ছে।

দলের বিজয় নিশ্চিত হচ্ছে এটা বুঝতে পেরেই খুশিতে মেতে ওঠেন বিজেপি কর্মীরা। তবে অনেক জায়গায় অশান্তি হয়েছে। ভোটের স্লোগান পালটা স্লোগানকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রের আকার নেয় আসানসোল। অভিযোগ, কাউন্টিং হলের বাইরেই আক্রান্ত হতে হয় তৃণমূল নেতা-কর্মীদের। ঘটনায় অভিযোগের তির বিজেপির দিকে। পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে লাঠিচার্যের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ঘটনায় বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে বলে খবর। কোথাও তৃণমূলের পার্টি অফিসে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে।

ব্যারাকপুরে তৃণমূল প্রার্থী সুবোধ অধিকারীকে মারধরের অভিযোগ উঠল বিজেপির কাউন্টিং এজেন্টের বিরুদ্ধে। ক্যানিং পূর্বের বিজেপি প্রার্থী অসীম সাঁপুইকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। দু’টি ঘটনাতেই নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ জমা পড়েছে। কমিশন ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছে। এ ছাড়াও কোচবিহারের দিনহাটায় তৃণমূলের দলীয় কার্যালয় ভাঙচুরের অভিযোগও এসেছে নির্বাচন কমিশনের কাছে। বিজয় মিছিল নিয়ে আলাদা করে কমিশনের কোনও নিষেধাজ্ঞা নেই। কিন্তু শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে আজ এধরনের কোনও উদযাপন না করাই ভাল বলে মনে করছে কমিশনের কর্তারা। যদি বা কেউ বিজয় মিছিল করতে চায়, তাহলে আগাম কমিশনের অনুমতি নিতে হবে।