মৃতের পরিবারকে আর্থিক সাহায্য ও একজনকে চাকরি দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন মুখ্য়মন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জমি পাহারা দিতে গিয়ে ফের হাতির হামলায় প্রাণ হারালেন এক যুবক। এবার ঘটনাস্থল, বাঁকুড়ার সোনামুখী।

আরও পড়ুন: পিনকন চিটফান্ড মামলায় প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারের সুপারকে সরাতে নির্দেশ

জানা গিয়েছে, মৃতের নাম মিলন কারক। বাড়ি, সোনামুখী এলাকার কোচডিহি গ্রামে। তখনও মেদিনীপুরের খড়গপুরে মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক বৈঠক শুরু হয়নি। মঙ্গলবার দুপুরে বাঁকুড়ার বড়জোড়া থেকে চল্লিশটি হাতিকে তাড়িয়ে নিয়ে আসা হয় সোনামুখী এলাকায়। রাতের দিকে খাবারের সন্ধানে যথারীতি হাতিগুলি ঢুকে পড়ে আশেপাশের গ্রামগুলিতে। খবর পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে জমি পাহারা দিতে গিয়েছিলেন মিলনও। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, জমি পাহারা দেওয়ার সময়ে মিলনকে আক্রমণ করে একটি হাতি। শুঁড়ে তুলে মাটিতে আছাড় মেরে ফেলে দেওয়ার পর তাঁকে হাতিটি পা দিয়ে পিষে দেয়। ঘটনাস্থলেই মারা যান ওই যুবক। এরপর স্থানীয়দের সহায়তায় মৃতদেহটি উদ্ধার করে সোনামুখী থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। বনদপ্তরের ভূমিকায় ক্ষুদ্ধ গ্রামবাসীরা। 

আরও পড়ুন: করোনা রোধে সতর্কতা, মুখ্যমন্ত্রীর সভাস্থলে স্বাস্থ্য পরীক্ষার ব্যবস্থা প্রশাসনের

এদিকে দু'দিনে সফরে মঙ্গলবারই জঙ্গলমহলে পৌঁছেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিকেলে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার প্রশাসনিক আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন খড়গপুরের ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কে। হাতির হানায় মৃতদেহ পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা, জঙ্গলমহলে যদি কেউ হাতির হামলার মারা যায়, তাহলে মৃতের পরিবারকে আড়াই লক্ষ টাকা দেওয়া হবে। বনবিভাগের হোমগার্ড পদে চাকরিও পাবেন পরিবারের একজন। সেই ঘোষণা কয়েক ঘণ্টা পরেই ঘটল অঘটন।