encounter at dhulian: ধুলিয়ানে এনকাউন্টারে পুলিশের গুলিতে মৃত্যু হল সামশেরগঞ্জ হত্যাকাণ্ডের মূল অভিযুক্তের। ঘটনার পুরো বিবরণ ও এলাকার পরিস্থিতি জেনে নিন।

একই দিনে জোড়া এনকাউন্টার। গাইঘাটার পরে এবার ধুলিয়ান। তবে ধুলিয়ানে এনকাউন্টারের ঘটনা ঘটেছে সিআইডি-র হাতে। সিআইডির গুলিতে মৃত্যু হয়েছে সামশেরগঞ্জের খুনের ঘটনার মূল অভিযুক্তের। অভিযুক্তের নাম সামাউল শেখ। ঘটনার পুননির্মাণের জন্য মূল অভিযুক্তকে ঘটনাস্থলে নিয়ে গেলে সে পালানোর চেষ্টা করে। তাতেই সিআইডি গুলি চালায়। সেই গুলিতে মৃত্যু হয়েছে মূল অভিযুক্তের। তেমনই দাবি করা হয়েছে সিআইডির পক্ষ থেকে।

ধুলিয়ান এনকাউন্টার

পুলিশ জানিয়েছে, সামশেরগঞ্জে বিজেপি কর্মী সুজিত মণ্ডল খুনে মূল অভিযুক্ত সামাউল শেখ। সিআইডির আধিকারিক ও পুলিশ আজ দুপুর ৩টে নাগাদ সামশেরগঞ্জ ডাকবাংলোয় ঘটনার পুননির্মানের জন্য তাকে নিয়ে গিয়েছিল। সূত্রের খবর, সেখান থেকেই অভিযুক্ত পালানোর চেষ্টা করে। তখনই তাকে গুলি করে আধিকারিকরা। রক্তাক্ত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করে।

সামশেরগঞ্জ হত্যাকাণ্ড

গত ২৮ অগাস্ট থেকে নিখোঁজ ছিলেন সামশেরগঞ্জে বিজেপি নেতা সুজিত মণ্ডল। পরে বাল্লালপুর ঘাট সংলগ্ন থেকে থেকে তাঁর দেহের কিছু অংশ উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনায় খুনে অভিযুক্ত তিন জনকে গ্রেফতার করা হয়। পরবর্তীতে মামলার তদন্ত সিআইডি-র হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল। উদ্ধার হওয়া দেহাংশ জঙ্গিপুর হাসপাতালে ময়নাতদন্তে পাঠান হয়। মৃতের পরিচয় নিশ্চিত করতে ডিএনএ পরীক্ষা ও ফরেনসিক বিশ্লেষণের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছিল সুদের টাকা নির্দিষ্ট সময়ে ফেরত মা দেওয়াকে কেন্দ্র করে বিবাদের সূত্রপাত হয়েছিল। সেই ঘটনা থেকেই বচসার জেরে সুজিতকে খুন করা হয়েছিল। তেমনই অনুমান ছিল তদন্তকারীদের।

গাইঘাটা এনকাউন্টার

অন্যদিকে গাইঘাটায় নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় মূল অভিযুক্তকেও এনকাউন্টার করে রাজ্য পুলিশ। মঙ্গলবার ভোরে তাঁকে নিয়ে ঘটনার পুননির্মাণ করতে গিয়েছিল তদন্তকারীরা। সেখান থেকে ফেরার পথেই পুলিশের অভিযুক্ত পুলিশের রিভালভার ছিনিয়ে নিয়ে চম্পট দেওয়ার চেষ্টা করে। পুলিশের সঙ্গে একপ্রস্থ গুলির লড়াই হয়। সেই সময়ই পুলিশের গুলিতে মৃত্যু হয় অভিযুক্ত প্রহ্লাদের। তেমনই দাবি করছে পুলিশ।