Falta Violence: ২৯ এপ্রিল বিধানসভা নির্বাচনে (2026 West Bengal Legislative Assembly election) দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণের দিন সবচেয়ে বেশি অভিযোগ এসেছিল দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতা থেকে। নির্বাচন পর্ব শেষ হয়ে যাওয়ার পরেও ফলতায় হিংসা, সন্ত্রাস, অশান্তির অভিযোগ উঠছে। শনিবার বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে ওঠে ফলতা।
KNOW
2026 West Bengal Legislative Assembly election: বুধবার বিধানসভা নির্বাচনে দ্বিতীয় তথা শেষ দফার ভোটগ্রহণ পর্ব মিটে গিয়েছে। কিন্তু তারপরেও দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতায় শান্তি ফিরছে না। শাসক দলের অত্যাচারে বাড়িতে থাকতে পারছেন না বলে অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের। শনিবার এই অভিযোগ তুলে কয়েক হাজার মানুষ একত্রিত হয়ে ফলতা বিধানসভার হাসিম নগরে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখালেন। তাঁদের দাবি, ফলতার তৃণমূল কংগ্রেস (AITC) প্রার্থী জাহাঙ্গির খান (Jahangir Khan) এবং তাঁর ঘনিষ্ঠ ইসরাফিল চৌকিদারকে (Israfil Chowkidar) গ্রেফতার করতে হবে। বুধবার ভোট দিতে বাধা, ইভিএম-এর (EVM) উপর ব্ল্যাক টেপ আটকে দেওয়ার অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও সেখানে পুনর্নির্বাচনের কথা ঘোষণা করেনি নির্বাচন কমিশন (Election Commission of India)। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, জাহাঙ্গির ও ইসরাফিলকে গ্রেফতার করার পাশাপাশি পুনর্নির্বাচনের নির্দেশও দিতে হবে।
এফআইআর দায়ের করার নির্দেশ
ফলতায় ইসরাফিলের নেতৃত্বে তৃণমূল কংগ্রেস আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের বাড়ি গিয়ে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে জাহাঙ্গিরের ঘনিষ্ঠদের এফআইআর দায়ের করার নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এফআইআর দায়ের করা না হলে পুলিশের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। পুলিশকে স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, ফলতার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে হবে।
পুলিশের ভূমিকায় ক্ষোভ
নির্বাচন কমিশন বুঝিয়ে দিয়েছে, পুলিশের ভূমিকা সন্তোষজনক নয়। গ্রামবাসীরাও পুলিশের ভূমিকায় তীব্র ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন। তাঁদের অভিযোগ, বাড়িতে চড়াও হয়ে মারধর করা হয়েছে। হুমকি দেওয়া হচ্ছে। বাড়ি ছেড়ে চলে যাওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়েছে। কিন্তু রাজ্য পুলিশ কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। পুলিশ পর্যবেক্ষক অজয়পাল শর্মা (Ajay Pal Sharma) পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছেন। কিন্তু যতক্ষণ না পুলিশের উপর গ্রামবাসীদের আস্থা ফিরছে, ততক্ষণ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে না। এই কারণেই পুলিশের সক্রিয়তা চাইছে নির্বাচন কমিশন।
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।


