প্রতি বছর শতাব্দী প্রাচীন চড়ক পুজো হয় শিব মন্দিরের দালানে। বসিরহাট মহকুমার বসিরহাট দুই নম্বর ব্লকের চাঁপাপুকুর ব্রাহ্মণপাড়ায় প্রতি বছরের থেকে এই বছর চৈত্র সংক্রান্তির দৃশ্যটা বদলে গিয়েছে। মন্দিরে যেখানে ঠাকুর থাকার কথা সেখানে সাদা কাগজে বড় বড় করে লেখা রয়েছে ঘন্টায় ঘন্টায় হাত সাবান বা স্যানিটাইজার ব্যবহার করুন। শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখুন। লকডাউন মান্যতা দিন ঘর থেকে বেরোবে না। জ্বর সর্দি কাশি হলে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যান। কিন্তু দেশ রাজ্য লকডাউন যের করোনার সতর্কবার্তা‌ সঙ্কট মুহূর্তে দাঁড়িয়েছে গোটা সমাজ। তাই ধর্মীয় স্থান হয়ে উঠেছে বিশেষভাবে সক্ষম মানুষদের পাশে দাঁড়ানোর ত্রান কেন্দ্র।

আরও পড়ুন- করোনায় ধুঁকছে ভারতের অর্থনীতি, ৩৫ শতাংশ বেতন কমিয়ে আশঙ্কা আরও বাড়াল দেশের নামী সংস্থা

চাঁপাপুকুর ব্রাহ্মণপাড়ায় ত্রান বিলি করার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের কাছে লকডাউন মান্যতা করার আর্জি জানানো হয়েছে। ঘর থেকে বেরোবে না। জ্বর সর্দি কাশি হলে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যান। কিন্তু দেশ রাজ্য লকডাউন যের করোনার সতর্কবার্তা‌ সঙ্কট মুহূর্তে দাঁড়িয়েছে গোটা সমাজ। তাই ধর্মীয় স্থান হয়ে উঠেছে বিশেষভাবে সক্ষম মানুষদের ত্রান শিবির।ইতিমধ্যে বিশেষ ভাবে সক্ষম ও দুঃস্থদের পাশে দাঁড়িয়ে ওই গ্রামের কলেজ পড়ুয়া থেকে সমাজের বিশিষ্টজনরা‌ প্রতিদিন সকালে এক ঘন্টায় ১৮ জন মানুষকে ত্রান দিচ্ছেন নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রেখেই।

আরও পড়ুন- অশীতিপর বৃদ্ধের ডাকে সাহায্য করতে ছুটল পুলিশ, প্রাক্তন অধ্যাপক এগিয়ে দিলেন চেক করোনা -তহবিলে

শুধু তাই নয় হাত স্যানিটাইজার দিয়ে ধুয়ে মানুষের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে চাল, ডাল, আলু, সরষের তেল, দুধ, বিস্কুট ও মুড়ি। প্রতি বছরের চড়ক পুজোর বরাদ্দ অর্থ বরাদ্দ দিয়েই প্রতিদিনকার নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য, স্যানিটাইজার ও মাস্ক বিতরণ করা হচ্ছে। যতদিন লকডাউন চলবে ততদিন ২ নম্বর ব্লকে গ্রাম থেকে প্রতিবন্ধীদের অসহায় মানুষকে খুঁজে বের করে তাদের হাতে ত্রাণ সামগ্রী তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্দিষ্ট শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে এই উদ্যোগ নিয়েছে কলেজ ছাত্ররা কুশল প্রমিতরা পাশাপাশি জনপ্রতিনিধি স্বপ্না সাহা বিকাশ সরকার তাপস দাস স্থানীয় অগ্রদূত ক্লাব এর সম্পাদক তন্ময় গাঙ্গুলী দেবজ্যোতি ব্যানার্জি ও সত্যজিৎ মুখার্জি তাদের জমানো অর্থ দিয়ে লাগাতার এই কর্মসূচির উদ্যোগ নিয়েছেন।