West Bengal Assembly Election 2026: বাংলায় নির্বাচনী প্রচারে এসে সরকারি কর্মচারীদের জন্য বড় ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি বলেন, কেন্দ্রের অষ্টম বেতন কমিশনের লাভ বাংলার সরকারি কর্মচারীরাও পাবেন। মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুরে নির্বাচনী জনসভায় ভাষণ দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী এই ঘোষণা করেন।

West Bengal Assembly Election 2026: বাংলায় নির্বাচনী প্রচারে এসে সরকারি কর্মচারীদের জন্য বড় ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি বলেন, কেন্দ্রের অষ্টম বেতন কমিশনের লাভ বাংলার সরকারি কর্মচারীরাও পাবেন। মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুরে নির্বাচনী জনসভায় ভাষণ দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী এই ঘোষণা করেন। মোদী বলেন, "বিজেপির সরকার গঠনের ৪৫ দিনের মধ্যে সরকারি কর্মচারীদের সপ্তম বেতন কমিশনের লাভ পাবেন। অষ্টম বেতন কমিশনের কথা চলছে। তা থেকেও বাংলার সরকারি কর্মচারীরা বঞ্চিত হবেন না। ডিএ বেড়ে যাবে। সপ্তম বেতন কমিশনের সুবিধা তাঁরা এখনই পেয়ে যাবেন।"

শুক্রবারই বিজেপি পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের জন্য ইশতেহার প্রকাশ করেছে। দলীয় সংকল্পপত্র প্রকাশ করেন বিজেপি নেতা ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সেখানে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে, সমস্ত সরকারি কর্মচারী এবং পেনশনভোগীর জন্য ৪৫ দিনের মধ্যে সপ্তম বেতন কমিশন চালু হবে এবং বকেয়া ডিএ দিয়ে দেওয়া হবে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেছেন যে, আসন্ন রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি জয়লাভ করলে ৪৫ দিনের মধ্যেই পশ্চিমবঙ্গের কর্মীদের জন্য সপ্তম বেতন কমিশন (7th Pay Commission) কার্যকর করা হবে। বকলকাতায় আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে শাহ তাঁর 'ষষ্ঠ প্রতিশ্রুতি'-র অংশ হিসেবে বাংলার কর্মীদের জন্য সপ্তম বেতন কমিশনের সুবিধাগুলো বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করেন।

বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গের সরকারি কর্মীরা ষষ্ঠ বেতন কমিশনের আওতাভুক্ত। পশ্চিমবঙ্গের সরকারি কর্মীদের দীর্ঘদিনের দাবি—কেন্দ্রের মতো রাজ্যেও সপ্তম বেতন কমিশন কার্যকর করা হোক। বর্তমানে রাজ্যের কর্মীরা ষষ্ঠ বেতন কমিশনের কাঠামো অনুযায়ী বেতন পান, যেখানে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীরা অনেক আগেই সপ্তম বেতন কমিশনের সুবিধা পেয়ে গিয়েছেন। কেন্দ্রীয় কর্মীরা যেখানে প্রায় ৫০ শতাংশের কাছাকাছি ডিএ পাচ্ছেন, সেখানে রাজ্যের কর্মীরা আদালতের নির্দেশে কিছু বৃদ্ধি পেলেও এখনও অনেকটাই পিছিয়ে। যদি সপ্তম বেতন কমিশন চালু হয়, তাহলে শুধু বেসিক বেতন নয়, ডিএ, এইচআরএ এবং অন্যান্য ভাতাতেও প্রভাব পড়বে।

২০২৫ সালের ৩ নভেম্বর কেন্দ্রের একটি সরকারি প্রস্তাবের মাধ্যমে অষ্টম বেতন কমিশন গঠিত হয়েছিল এবং তাদের সুপারিশ জমা দেওয়ার জন্য ১৮ মাস সময় দেওয়া হয়েছে। কমিশন বেতন, পেনশন, ভাতা এবং অন্যান্য চাকরি-সংক্রান্ত বিষয়ে কর্মচারী, পেনশনভোগী, সংস্থা, ইউনিয়ন এবং অন্যান্য স্টেক হোল্ডারদের কাছ থেকে পরামর্শ চেয়েছে।