'ময়নাতদন্তের আগেই কেন আত্মহত্যা বলা হচ্ছে?' হেমতাবাদের বিজেপি বিধায়কের রহস্যমৃত্যুতে রাজ্য় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। ময়নাতদন্তে ভিডিওগ্রাফি-সহ ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি তুলেছেন  তিনি।

আরও পড়ুন: প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা করছে পুলিশ, বিজেপি বিধায়ক 'খুন' কাণ্ডে বিস্ফোরক সায়ন্তন

খুন নাকি আত্মহত্যা? একুশের বিধানসভা ভোটের আগে হেমতাবাদের বিজেপি দেবেন্দ্রনাথ রায়ের মৃত্যুতে ঘনাচ্ছে রহস্য। সোমবার সাতসকালে বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে তাঁর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। পরিবারের লোকেদের দাবি, রবিবার সন্ধ্যায় স্থানীয় বালিয়া মোড়ে চায়ের দোকানে স্থানীয়দের সঙ্গে আড্ডা দিচ্ছিলেন বিধায়ক। বাড়ি ফেরেন রাত সাড়ে ন'টা নাগাদ। এরপর রাত একটা নাগাদ কেউ বা কারা দেবেন্দ্রনাথ রায়কে বাড়িতে থেকে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর রাতে আর বাড়ি ফেরেননি তিনি। সোমবার সকালে এলাকায় বন্ধ দোকানের সামনে থেকে উদ্ধার হয় ঝুলন্ত দেহ। পরিবার তো বটেই, দলের বিধায়ককে পরিকল্পনামাফিক খুনের অভিযোগ করেছে বিজেপি-র জেলা নেতৃত্ব। সিবিআই তদন্ত ও দোষীদের শাস্তি দাবিতে মঙ্গলবার উত্তর দিনাজপুরে ১২ ঘণ্টার সাধারণ ধর্মঘটের  ডাক দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: 'মুখ্যমন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হবে', বিধায়কের মৃত্যুতে ধর্মঘটের ডাক বিজেপি-এর

এদিকে এই ঘটনার আবার আত্মহত্যা তত্ত্ব খাঁড়া করেছে পুলিশ। উত্তর দিনাজপুরের পুলিশ সুপার সুমিত কুমার জানিয়েছেন, মৃত বিধায়কের পকেট থেকে একটি সুইসাইড নোট  পাওয়া গিয়েছে। টুইটে রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় লিখেছেন, 'হেমতাবাদের বিধায়কের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার নিয়ে পুলিশ দাবি করছে আত্মহত্যা। এটা ধামাচাপা দেওয়ার ইঙ্গিত। নিশ্চয়ই কোনও উদ্দেশ্য রয়েছে।'  শুধু তাই নয়, বিশেষজ্ঞদের উপস্থিতিতে সুপ্রিম কোর্টের রায় মেনে ময়নাতদন্তের ভিডিওগ্রাফিরও দাবি তুলেছেন তিনি।