গ্রিন সিটি দুর্নীতি কাণ্ডে অন্যতম মুখ স্বপন নন্দী কেরলম থেকে আরামবাগে পৌঁছাতেই শুরু হয় ডিমের বৃষ্টি, ‘চোর চোর’ স্লোগান। জনরোষের মুখে পরে দৌড় দিতে গিয়ে খুলে গেলো প্যান্ট। তারপর কী হল?
গ্রিন সিটি দুর্নীতি কাণ্ডে অভিযুক্ত প্রাক্তন চেয়ারম্যান স্বপন কুমার নন্দীকে কেরলম থেকে গ্রেপ্তার করে কলকাতা বিমানবন্দরে আনার পর আরামবাগে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু সেখানে পৌঁছাতেই যেন বিস্ফোরিত হয় ক্ষোভের বিস্ফোরণ ঘটল। দীর্ঘদিনের জমে থাকা ক্ষোভ উগরে দিয়ে রাস্তায় নেমে পড়েন বহু মানুষ ও বিজেপির একাংশ কর্মী-সমর্থক।

আবার ডিম-হামলা
গৌরহাটি মোড়ে স্বপন নন্দী পৌঁছানো মাত্রই শুরু হয় প্রবল বিক্ষোভ। তাঁকে লক্ষ্য করে ছোঁড়া হয় পচা ডিম। ‘চোর চোর’, ‘টাকা কোথায় গেল’ স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। অভিযোগ, বিক্ষোভকারীদের একাংশ স্বপন নন্দীর উদ্দেশে ডিম ছুঁড়ে প্রতিবাদ জানান। মুহূর্তের মধ্যে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। জনরোষের মুখে পালাতে গিয়ে দৌড়ে খুলে গেলো এতে পরনে কালো প্যান্ট । থানায় ঢুকলেন গ্রিন সিটির ‘মুখ’ স্বপন নন্দী!”
প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, জনরোষের তীব্রতা এতটাই ছিল যে পুলিশি নিরাপত্তার মধ্যেই দ্রুত আরামবাগ থানার দিকে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। বিক্ষোভকারীরা থানা পর্যন্ত ধাওয়া করে বলে অভিযোগ। হুড়োহুড়ির মাঝে কার্যত ছুটে থানার ভিতরে ঢুকে পড়েন স্বপন নন্দী। সেই দৃশ্য ঘিরে এলাকাজুড়ে ব্যাপক চর্চা শুরু হয়েছে।
গ্রিন সিটি দুর্নীতি
গ্রিন সিটি প্রকল্পে কোটি কোটি টাকার অনিয়ম ও প্রতারণার অভিযোগে দীর্ঘদিন ধরে ক্ষোভে ফুঁসছিলেন বহু আমানতকারী ও স্থানীয় বাসিন্দা। অভিযুক্তের আরামবাগে প্রত্যাবর্তনের দিন সেই ক্ষোভ যেন রাস্তায় বিস্ফোরিত হল। আরামবাগ পৌরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান স্বপন নন্দীকে ৭ কোটি টাকার গ্রিন সিটি দুর্নীতি তে গ্রেফতার করেছে হুগলি গ্রামীণ পুলিশ।
এখন প্রশ্ন একটাই— গ্রিন সিটির টাকার হদিস মিলবে তো? নাকি জিজ্ঞাসাবাদে সামনে আসবে আরও বড় বড় নাম? আরামবাগের রাজনৈতিক মহল থেকে সাধারণ মানুষের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এখন শুধুই গ্রিন সিটি কাণ্ড এবং স্বপন নন্দী।


