মিঠু সাহা, শিলিগুড়ি:  সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ কমাতে গিয়েই কি ঘটল বিপত্তি? পাহাড় হোক কিংবা সমতল, আনলকে পর্বে এ রাজ্যের সর্বত্রই করোনা সংক্রমণ ছড়িয়েছে আরও বেশি। শৈলশহর দার্জিলিং-এ পর্যটকদের যাওয়ার ক্ষেত্রে ফের নিষেধাজ্ঞা জারি করল জিটিএ-র প্রশাসনিক বোর্ড। এদিকে আবার শিলিগুড়ি শহরের ৯ ওয়ার্ডেও লকডাউন পুরোদস্তুর লকডাউন ঘোষণা করেছে জেলা প্রশাসন।

আরও পড়ুন: ফের করোনা সংক্রমণের শিকার স্বাস্থ্যকর্মী, আতঙ্কের পারদ চড়ল রামপুরহাটে

আশঙ্কা ছিলই, আনলকে পর্বে ফের করোনা সংক্রমণের গ্রাফ উর্ধ্বমুখী। পাহাড় থেকে সমতল, এ রাজ্যে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। বহু ক্ষেত্রে আবার আক্রান্তদের তেমন কোনও উপসর্গ দেখা যাচ্ছে না। এর আগে যখন রাজ্য়ে লকডাউন চলছিল, তখন প্রায় তিনমাস পর্যটকশূন্য দার্জিলিং। পরিস্থিতির বদল ঘটে জুলাই মাসের গোড়ার দিকে। বেশ কয়েকটি ধাপে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও থার্মাল স্ক্রিনিং-এর পর পর্যটকদে শৈলশহরে ঢোকার অনুমতি অনুমতি দেয় জিটিএ। ফের জারি হল নিষেধাজ্ঞা।

জিটিএ-র প্রশাসনিক বোর্ডের চেয়ারম্যান অনিত থাপা জানিয়েছেন, দেশ জুড়ে সংক্রমণ বাড়ছে। শিলিগুড়িতেও করোনা প্রকোপ যথেষ্টই। পাহাড়েও বিপদ কম নয়। করোনা বিরুদ্ধে লড়াই করতে আপাতত দার্জিলিং-এ পর্যটকদের আনাগোনায় নিষেধাজ্ঞা জারি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পর্যটকদের প্রতি তাঁর আবেদন, 'পরিস্থিতি অনুকূল নয়। বাড়িতে থাকুন, সুস্থ থাকুন।'

আরও পড়ুন:বাগমারির একই বাড়িতে করোনায় আক্রান্ত ৬, আগামী সাত দিনের জন্য়ে ব্যারিকেড বসালো পুলিশ

উল্লেখ্য, করোনা সংক্রমণ রুখতে খাস কলকাতার একাধিক এলাকা 'কন্টেনমেন্ট জোন' হিসেবে ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার। জারি করা হয়েছে পুরোদস্তুর লকডাউন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে শহরের টানা ১৫ দিন লকডাউনের আর্জি জানিয়েছেন শিলিগুড়ির সাংসদ রাজু সিং বিস্ত। বস্তুত, শিলিগুড়ি পুর এলাকায় ৯টি ওয়ার্ডে লকডাউন জারিও করেছে জেলা প্রশাসন।