রবিবার বিকেলে কয়েক পশলা বৃষ্টি পড়লেও কাঠফাটা গরম থেকে স্বস্তি পাওয়া যায়নি।  সকাল থেকে রাত এমন গরমে প্রাণ ওষ্ঠাগত বাঙালির।  

তীব্র দাবদাহ আর আর্দ্রতার কারণে অস্বস্তি চরমে পৌঁছেছে। ঘেমে নেয়ে এক সা হয়ে দিন কাটছে বাঙালির। বিশেষ করে বাঁকুড়ার তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বাড়ছে। রবিবার এই জেলার তাপমাত্রা ছিল ৪১ ডিগ্রি। 

রবিবার কলকাতার তাপমাত্রা ছিল ৩৬ ডিগ্রির আশপাশে। আর্দ্রতা ছিল ৬০ শতাংশ। তাই অস্বস্তিও ছিল চরম। বিকেলে বৃষ্টি হলে কিঞ্চিত তাপমাত্রা কমলেও অস্বস্তি কমেনি। এদিন কলকাতার সঙ্গে দুই ২৪ পরগনা, নদিয়া, বীরভূম ও মুর্শিদাবাদে। তবে এর মাঝেই একটু স্বস্তির খবর দিল। 

হাওয়া অফিস বলছে, দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার-সহ উত্তরবঙ্গের বেশ কিছু অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়া বইবে। কিন্তু পুরুলিয়াস, মুর্শিদাবাদ, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া, বীরভূম, পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমানে একই রকম তাপপ্রবাহ বজায় থাকবে। 

প্রসঙ্গত আন্দামান নিকোবারে বর্ষা ঢুকে গিয়েছে। আগামী ৩ থেকে ৪ দিনের মধ্যে পোর্টেব্লেয়ারে ঢুকবে। তবে পশ্চিমবঙ্গে এবার বর্ষা ঢুকতে স্বাভাবিকের থেকে দিন তিনেক দেরি হবে বলেই জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। তাই এখনই যে এই কাঠফাটা গরম থেকে স্বস্তি পাওয়া যাচ্ছে না তা বলাই যায়। তাই এই গরম থেকে বাঁচতে শরীরকে যথেষ্ট পরিমাণে হাইড্রেটেড রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা।