আগের দিনে দলের বিক্ষোভ কর্মসূচিতে সামিল হয়েছিলেন। শুক্রবার সকালে এক বিজেপি কর্মীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হল পশ্চিমে মেদিনীপুরের দাঁতনে। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। বিজেপির স্থানীয় নেতাদের অভিযোগ, তাঁকে খুন করে দেহ গাছে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে চালানো চেষ্টা করেছে তৃণমূল। রাজ্যে শাসকদলের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। 

জানা গিয়েছে, গত কয়েকদিন ধরেই রাজনৈতিক সংঘর্ষে উত্তপ্ত দাঁতনের জেনকাপুর ও সন্তোষপুর এলাকা। মঙ্গলবার সংঘর্ষেও জড়িয়ে পড়েন বিজেপি ও তৃণমূল কর্মীরা। ঘটনায় এলাকার বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মীর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগও দায়ের করা হয়। সেই তালিকায় নাম ছিল বর্ষা হাঁসদা নামে এক ব্যক্তি। তিনি এলাকায় বিজেপির সক্রিয় কর্মী হিসেবেই পরিচিত।  বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার দায়ের অভিযোগ তুলে দাঁতনে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি কর্মীরা। বিক্ষোভ কর্মসূচিতে সামিল হয়েছিলেন বর্ষাও।

বিজেপি কর্মী বর্ষা হাঁসদার বাড়ি দাঁতনের সন্তোষপুর এলাকায়। শুক্রবার সকালে বাড়ির কাছে একটি গাছে তাঁর ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান স্থানীয় বাসিন্দারা। ঘটনাটি জানাজানি হতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে দলের কর্মীকে খুনের অভিযোগ তুলেছে বিজেপির স্থানীয় নেতারা। ঘটনার যথাযথ তদন্তের দাবি করেছেন তাঁরা।

কয়েক মাস আগে পশ্চিম মেদিনীপুরেরই পিংলায় রহস্যজনকভাবে মারা যান এক বিজেপি কর্মী।  স্থানীয় নারেঙ্গাদিঘি গ্রামে এক গাছ থেকে তাঁরও ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। পরিবারের লোকেদের বক্তব্য, ঘটনার দিন রাতে মামাবাড়ি থেকে ফেরার কথা ছিল ওই বিজেপি কর্মী। কিন্ত তিনি ফেরেননি। শেষপর্যন্ত গ্রামে এক গাছে তাঁর ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান স্থানীয় বাসিন্দারা। এই ঘটনায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে পরিকল্পনামাফিক খুনের অভিযোগ তুলেছিলেন মৃতের পরিবারের লোকেরা।