হিঙ্গলগঞ্জে বিএসএফ আধিকারিকদের সঙ্গে ইছামতীর তীর ঘুরে দেখলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সীমান্ত পরিদর্শনের পর কী প্রতিক্রিয়া জানালেন তিনি, এক নজরে জেনে নিন
দীপাবলিতে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী হিঙ্গলগঞ্জে ৭৪ বিএসএফ-এর ব্যাটালিয়ের ক্যাম্পে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি হিঙ্গলগঞ্জ থানার কালীপুজো উদ্বোধন করেন। বিএসএফ ও পুলিশের মধ্যে সমন্বয়ের ওপর বিশেষ জোর দেন। ইছামতীতে বিএসএফ-এর স্পিডবোট চেপে বেশ কিছুক্ষণ গোটা এলাকা পরিদর্শন করেন। তারপরই তিনি সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধিদের বলেন, 'বাংলাদেশীরা ওত পেতে রয়েছে। ফাঁকা পেলেই ভারতে হুহু করে ঢুকে পড়বে। ' তিনি আরও বলেন,'একটা অনুপ্রবেশকারীও রাখব না আমাদের রাজ্যে। সবকটাকে ধরে ওই দেশে পাঠিয়ে দেব। খুঁজে খুঁজে বের করব সব অনুপ্রবেশকারীকে। ১৫ কিলোমিটার ধরে তল্লাশি চলছে'।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মতই সেনা বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পরে প্রথম দীপাবলি উৎযাপন করলেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি আরও জানিয়েছেন, আগামী বছর থেকে শুরু হবে সীমা মিত্র সম্মান।
রবিবার দুপুরে হিঙ্গলগঞ্জ মহাবিদ্যালয়ের মাঠে অস্থায়ী হেলিপ্যাডে নেমে সড়কপথে প্রথম বিএসএফ ক্যাম্পে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। জোয়ানদের সঙ্গে দীপাবলির আনন্দ ভাগ করে নেন। তারপরই জওয়ানদের স্পিডবোটে ছেপে ইছামতি নদীতে ঘোরেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখান থেকে হিঙ্গলগঞ্জ থানায় যান তিনি। থানার পুজো উদ্বোধন করেন। সেখান থেকেই প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লালকৃষ্ণ আডবাণীর ১০০তম জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানান। তিনি বলেন, 'আমি তাঁর কাছে চিরকৃতজ্ঞ। তিনি আমাকে খুব ভালবাসতেন। আমি অন্য দলের সাংসদ ছিলাম। তার পরেও আমার সঙ্গে সংসদে দেখা হলে জিজ্ঞাসা করতেন, নন্দীগ্রাম ক্যায়সা হ্যায়? আমি বলতাম, আচ্ছা হ্যায়'।
এদিন শুভেন্দু অধিকারী পুলিশ ও ভারতীয় সেনা বাহিনীর ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, 'আমাদের নিরাপত্তার জন্য বাহিনী উৎসবের দিনেও নিজেদের বাড়িঘর ছেড়ে ডিউটি করেন।' আর সেই কারণেই উৎসবের দিনে তিনি বাহিনীর কাছে যাওয়াটাকে তাঁর দায়িত্ব হিসেবে দেখেন বলেও জানিয়েছেন। ওই প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর ভূয়সী প্রশংসা করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'এই পথটা দেখিয়েছিলেন নরেন্দ্র মোদীজি, গুজরাতে। আমি তাঁর দেখানো পথ অনুসরণ করলাম।’’ শুভেন্দুর দাবি, আগের সরকারের আমলে সীমান্তরক্ষীদের সঙ্গে পুলিশের সমন্বয় ছিল না। কিন্তু এখন পরিস্থিতি আলাদা। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, ডিজিপি-র নেতৃত্বে সীমান্তরক্ষীদের সঙ্গে পুলিশের দারুণ কো-অর্ডিনেশন!'














