Hooghly Election News: বাবা বাম আমলের প্রাক্তন সাংসদ হলেও বাবার দেখানো পথে না হেঁটে গেরুয়া শিবিরে নাম লেখালেন অনিল বসুর ছেলে সৌম্য বসু। বিজেপিতে যোগ দিয়ে কী বলছেন তিনি? বিশদে জানতে পড়ুন সম্পূর্ণ প্রতিবেদন…

Hooghly Election News: শমীকের সভায় অনিল বসুর ছেলে। জয় শ্রীরাম স্লোগান তুলে বললেন সেই সিপিএম আর নেই। তাই বিজেপি করছি। পাঁচ বিজেপি প্রার্থীর মনোনয়ন ঘিরে চুঁচুড়া ঘড়ির মোরে সভা করে বিজেপি।সেই সভায় উপস্থিত ছিলেন বিজপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। আরামবাগের প্রাক্তন সিপিআইএম সাংসদ অনিল বসুর ছেলে সৌম্য বসুকে দেখা গেলো সেই সভায়।চুঁচুড়ার বিজেপি প্রার্থী সুবীর নাগের সঙ্গে হাত মেলাতে দেখা যায় তাকে।

BJP-তে যোগ দিলেন অনিল বসুর ছেলে:-

 সৌম্য এক সময় ছাত্র রাজনীতি করেছেন।এসএফআই ডিওয়াইএফআই করেছেন। অনিল বসু বাম আমলের প্রবল প্রতাপশালী নেতা ছিলেন।আরামবাগ থেকে সিপিআইএম এর সাংসদ নির্বাচিত হয়েছিলেন ছয় বার। ২০০৪ সালে শেষবার আরামবাগ থেকে রেকর্ড প্রায় ছয় লাখ ভোটে জিতেছিলেন অনিল বসু। ব্যাপক রিগিং এর অভিযোগ উঠেছিল সেসময়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যেশ্যে কুরুচিকর মন্তব্য করায় অনিল বসুকে ২০১২ সালে সিপিআইএম দল থেকে বহিস্কার করা হয়েছিল। তবে অনিল বসু আজীবন বামপন্থায় বিশ্বাস করেছেন। ২০১৮ সালের ২ অক্টোবর মৃত্যু হয় অনিল বসুর। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত বামপন্থী ছিলেন।অনেক সমালোচনা দল বহিষ্কার করা সত্ত্বেও বামপন্থী থেকে গিয়েছিলেন।

সেই অনিল বসুর ছেলে বিজেপি করছেন। সৌম্য বসু বলেন, ‘’বাবা সাংসদ বিধায়ক মন্ত্রী থাকলেই সেই দল করতে হবে এমন কোন কারন নেই ।প্রত্যেক মানুষের স্বাধীন মত প্রকাশের অধিকার আছে।যে রাজনৈতিক দলকে তার পছন্দ তার সঙ্গেই থাকুক। শমীক ভট্টাচার্যের সঙ্গে দেখা করেছি ধন্যবাদ জানিয়েছি উনি বলেছেন প্রার্থীকে জেতাতে হবে।প্রার্থী জিতবে, সুবীর নাগের সঙ্গে আমি আছি।'' 

‘’জ্যোতি বসু অনিল বিশ্বাস সুভাষ চক্রবর্তীর বামপন্থা আর এখনকার বামপন্থায় অনেক তফাৎ। আমি কোনও ব্যক্তির নামে বলবো না কিন্তু মতাদর্শের দিক থেকে বলব অনেক তফাৎ। ওই বামপন্থা আলাদা ছিল। ২০০৫ পর্যন্ত আমিও সক্রিয়ভাবে রাজনীতি করেছি। এখন রাজ্যে বামপন্থীদের নামে যেটা চলছে সেটার উপর বিশ্বাস রাখতে পারছি না। আগে বামপন্থা ছিল গরিব মেহনতী মানুষ খেটে খাওয়া মানুষের প্রতিনিধিত্ব করা। এখনকার বামপন্থা হল মধ্যবিত্ত শ্রেণীর। চকচকে এলিটের প্রতিনিধি। বিজেপি দেশভক্ত দল।সেইটাই আমাকে আকর্ষণ করে।'' 

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।