Asianet News BanglaAsianet News Bangla

সাত মাসের মেয়েকে খুন করে আত্মঘাতী গৃহবধূ, মামীর ভূমিকায় রহস্য ব্যান্ডেলে

  • ব্যান্ডেলে মেয়েকে খুন করে আত্মঘাতী তরুণী
  • মৃতার নাম বর্ণালী দাস
  • ঘটনায় গ্রেফতার মামী শ্বাশুড়ি সহ দুই
  • আত্মহত্যার কারণ নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা
Housewife commits suicide after killing her infant daughter in Bandel
Author
Kolkata, First Published Jan 20, 2020, 11:57 AM IST
  • Facebook
  • Twitter
  • Whatsapp


সাত মাসের মেয়েকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করলেন তরুণী। তার পর নিজেও আত্মঘাতী হলেন তিনি। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনা ঘটেছে হুগলির ব্যান্ডেলের হেমন্ত বসু কলোনিতে। যদিও এই ঘটনায় মৃতার স্বামীর দূর সম্পর্কের এক মামী এবং তার মেয়েকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গৃহবধূ ও তাঁর শিশুকন্যার মৃত্যুর কারণ নিয়ে দানা বেঁধেছে রহস্য। 

স্থানীয় সূত্রে খবর, শনিবার রাতে ব্যান্ডেলের হেমন্ত বসু কলোনির বাসিন্দা গৃহবধূ বর্ণালী দাসের (২৬) ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। ঘরেই মেলে তাঁর সাত মাসের শিশুকন্যার দেহ। শিশুটিকে বর্ণালীই শ্বাসরোধ করে খুন করেছেন বলে প্রাথমিক তদন্তে অনুমান পুলিশের। জানা গিয়েছে, বছর তিনেক আগে হেমন্ত বসু কলোনির বাসিন্দা সমর দাসের সঙ্গে বিয়ে হয় ব্যান্ডেলেরই মিলিটারি কলোনির বাসিন্দা বর্ণালীর। স্বামী এবং মেয়েকে নিয়েই শ্বশুরবাড়িতে থাকতেন বর্ণালী।

মেয়ের অস্বাভাবিক মৃত্যুর পরেও নিজের জামাইয়ের বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ করেননি মৃতার বাবা বাসুদেব বিশ্বাস। বরং বাসুদেববাবু অভিযোগ করেছেন তাঁর জামাইয়ের দূর সম্পর্ক মামী সুমতি দাস ও তার মেয়ে অনিতা দাসের বিরুদ্ধে। বাসুদেববাবুর অভিযোগ, ওই দু' জন মিলে তাঁর মেয়ের উপরে নিয়মিত মানসিক নির্যাতন চালাত। এমন কী, সংসারের সব বিষয়েও তারা নাক গলাত বলে অভিযোগ। ঘটনার দিনও সন্ধেবেলা সুমতি দাস তার মেয়েকে নিয়ে বর্ণালীদের বাড়িতে যায়। তখন বর্ণালীর স্বামী সমরও বাড়িতে ছিলেন না। সুমতি এবং তার মেয়েই ঘরের মধ্যে বর্ণালী ও তার মেয়ের দেহ দেখতে পেয়ে প্রতিবেশীদের খবর দেয়। 

বাসুদেববাবুর অভিযোগ, তাঁর মেয়ের মৃত্যুর পিছনে ওই দু' জনই দায়ী। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতেই দু' জনকে প্রথমে আটক এবং পরে গ্রেফতার করে ব্যান্ডেল থানার পুলিশ। যদিও বর্ণালী কেন মেয়েকে খুন করে আত্মঘাতী হলেন, সেই কারণ নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা রয়েছে। রবিবার ধৃত দু' জনকে চুঁচুড়া আদালতে তোলা হলে পাঁচদিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক। 

ধৃতদের জেরা করে ঘটনার পিছনে প্রকৃত কারণ উঠে আসবে বলে আশাবাদী তদন্তকারীরা। স্বামীর কোনও সম্পর্কের জেরে বর্ণালী এমন সিদ্ধান্ত নিলেন কি না, তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। বর্ণালীর ঘর থেকে কোনও সুইসাইড নোট উদ্ধার না হওয়ায় পুলিশের কাজ আরও কঠিন হয়েছে। পাশাপাশি ময়নাতদন্তের রিপোর্টের জন্যও অপেক্ষা করা হচ্ছে। মৃতার স্বামী সমরের অবশ্য দাবি, ধৃত সুমিতাদেবী তাঁদের পরিবারের অভিভাবকের মতোই ছিলেন। 
 

Follow Us:
Download App:
  • android
  • ios