হাওড়া স্টেশনের ক্যাব রোডের কাছে আগুন ও ধোঁয়ার ঘটনায় চাঞ্চল্য। সিসিটিভি ফুটেজে এক ব্যক্তিকে ইচ্ছাকৃতভাবে কিছু ছুড়তে দেখা যাওয়ার পর তদন্ত শুরু করেছে নিরাপত্তা সংস্থা ও আরপিএফ।

হাওড়া স্টেশনে বড়সড় নাশকতার ছক কষা হয়েছিল? সিসিটিভি ফুটেজ সামনে আসার পর এই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে। ফুটেজে দেখা গেছে, এক সন্দেহভাজন ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে ক্যাব রোডের কাছে কিছু একটা ছুড়ছে, যার পরেই সেখানে আগুন ও ধোঁয়া দেখা যায়।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

এই ঘটনার পর রেলওয়ে প্রোটেকশন ফোর্স (RPF) এবং অন্যান্য নিরাপত্তা সংস্থাগুলো তদন্ত শুরু করেছে। আশ্চর্যের বিষয় হল, মঙ্গলবার মিথিলা এক্সপ্রেসের কামরায় আগুন লাগার ঘটনার ঠিক আগেই এই ঘটনাটি ঘটেছিল। সাম্প্রতিক কিছু গোয়েন্দা রিপোর্টে আগেই সতর্ক করা হয়েছিল যে, রেলকে নিশানা করার জন্য নাশকতার ছক কষা হচ্ছে। কর্তৃপক্ষের ধারণা, এই ঘটনা শুধু রেল পরিষেবা ব্যাহত করার জন্য নয়, বরং হাজার হাজার যাত্রীর মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পদপিষ্টের মতো পরিস্থিতি তৈরি করার জন্য করা হয়েছিল।

ভিডিওতে যে ব্যক্তিকে দেখা যাচ্ছে, তাকে শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। এর পিছনে কোনও বড় চক্র আছে কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই ঘটনার পর দেশজুড়ে সমস্ত বড় রেল টার্মিনালগুলিতে হাই অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। এর আগে মঙ্গলবার, হাওড়া স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা মিথিলা এক্সপ্রেসের একটি কামরায় আগুন লাগার খবর পাওয়া যায়। তদন্তে নেমে রেলকর্মীরা পেট্রোলে ভেজানো একটি আধপোড়া কাপড় উদ্ধার করেন। এলএস সেকেন্ড ক্লাস (অসংরক্ষিত) কোচের বাথরুমের কাছে ধোঁয়া দেখা গিয়েছিল। সঙ্গে সঙ্গে দুটি অগ্নি নির্বাপক যন্ত্র বা ফায়ার এক্সটিংগুইশার ব্যবহার করে আগুন নিভিয়ে ফেলা হয়।

রেল মন্ত্রক একটি বিবৃতিতে জানিয়েছে, "হাওড়ায় দাঁড়িয়ে থাকা মিথিলা এক্সপ্রেসের কোচে আগুনের খবরের পর তদন্তে পেট্রোলে ভেজানো একটি আধপোড়া কাপড় উদ্ধার হয়েছে।" মন্ত্রক আরও জানায়, "রেলকর্মীরা তৎপরতার সঙ্গে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন, যার ফলে একটি বড় বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে মনে হচ্ছে, কিছু সমাজবিরোধী যাত্রী সুরক্ষা বিঘ্নিত করতে এবং রেল ব্যবস্থায় ভয় ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছে। আরপিএফ এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলি এই সমস্ত বিষয়ে গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করছে।"