Humayun Kabir:পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের মুখে মুর্শিদাবাদের দাপুটে নেতা হুমায়ুন কবীরের তৃণমূল ছেড়ে নিজের দল খোলার পর থেকে তোলপাড় পড়ে গিয়েছে। হুমায়ুনের দলের ভোটে ব্যাঙ্ক রাজ্য রাজনীতিতে নয়া সমীকরণ তৈরি করেছে ।

Humayun Kabir:পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের মুখে মুর্শিদাবাদের দাপুটে নেতা হুমায়ুন কবীরের তৃণমূল ছেড়ে নিজের দল খোলার পর থেকে তোলপাড় পড়ে গিয়েছে। হুমায়ুনের দলের ভোটে ব্যাঙ্ক রাজ্য রাজনীতিতে নয়া সমীকরণ তৈরি করেছে । তৃণমূল কংগ্রেসকে ক্ষমতাচ্য়ুত করার চ্যালেঞ্জ নিয়ে ময়দানে নামা হুমায়ুনকে নিয়ে আগ্রহ দেখাচ্ছে বিরোধী শিবিরের বিভিন্ন দল। বামেদের সঙ্গে জোট ভেঙে রাজ্যে কংগ্রেস একা লড়ার সিদ্ধান্তের পর সবার নজরে হুমায়ুন। জনতা উন্নয়ন পার্টি বা জেইউপি-র প্রধানের সঙ্গে সিপিআইএম-এর শীর্ষ নেতা মহম্মদ সেলিমের বৈঠকের পর জোর জল্পনা তৈরি হয়েছে। শোনা যাচ্ছে আইএসএফ, মিম-এর মত দলগুলিকেও হুমায়ুন কবীরের দলের সঙ্গে আসন সমঝোতায় যেতে আগ্রহী। যদিও আইএসএফের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী হুমায়ুনের সঙ্গে আসন সমঝোতার বিষয়টি নিয়ে সেভাবে কিছু বলেননি। তবে কার সঙ্গে জোট গড়ে ভোটে লড়বেন তিনি তা নিয়ে মুখ খুললেন হুমায়ুন কবীর।

বামেদের জন্য কত আসন ছাড়তে রাজি হুমায়ুন

এদিন সাংবাদিকদের সামনে হুমায়ুন সাফ জানালেন, তৃণমূলকে হারাতে, বাংলাকে অপশাসন মুক্ত করতে যে কোনও দলের সঙ্গে তিনি জোট নিয়ে আলোচনায় প্রস্তুত। এই বিষয়ে মিম, আইএসএফ সহ বিভিন্ন দলের সঙ্গে আসন সমঝোতা নিয়েও আলোচনা চলছে বলে হুমায়ুন দাবি করেন। তবে রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা ভরতপুরের বিধায়ক স্পষ্ট করলেন, বাম-আইএসএফ- মিম যাদের সঙ্গেই জোট করুক তার দল, রাজ্যের ১৩৫টি আসনে প্রার্থী দিচ্ছেই। জনতা উন্নয়ন পার্টি রাজ্যের ১৮২টি বিধানসভা আসনে প্রার্থী দেওয়ার মত জায়গায় আছে বলেও তাঁর দাবি। সেক্ষেত্রে জোটের বাকি দলগুলির জন্য বাকি ১১২টি আসন লড়ার জন্য পড়ে থাকে। তবে জোট ধর্ম রক্ষার স্বার্থে অত সংখ্যক আসনে প্রার্থী দেবে না তার দল JUP।

মিমের সঙ্গে জোট?

তবে হুমায়ুন ঘুরে ফিরে সেই এক দাবি করেছেন। যার সঙ্গে জোটে যান তিনি, 'জনতা উন্নয়ন পার্টি' ১৩৫টি আসনে অবশ্যই লড়বে। সে কথা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন হুমায়ুন কবীর বলেছেন, বাম-আইএসএফ-মিমদের জন্য বাকি ১৫৯টি আসন ছাড়া হবে। আসাদউদ্দিন ওয়াইসির দল মিম (MIM)তার কাছে ১৫টি আসনে চেয়ে জোট গড়ার প্রস্তাব দিয়েছেন বলেও হুমায়ুন জানান। পাশাপাশি তিনি জানান, বাম-আইএসএফ-এর সঙ্গে জোটের নেতৃত্বে তিনি একমাত্র মহম্মদ সেলিমকেই মানবেন। অন্য কোনও নেতাকে জোটের নেতা হিসেবে মেনে নেবেন না বলেও হুমায়ুন জানান। প্রসঙ্গত, নিজেদর দল খোলার পরই হুমায়ুন দুটি কেন্দ্রে তাঁর নাম প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেছেন। এখন দেখার হুমায়ুনের কথা শুনে বামেরা কী করে।