India-Bangladesh Border Fencing: ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে অনেক জায়গাতেই কাঁটাতারের বেড়া নেই। সীমান্তরক্ষী বাহিনী (BSF) এর আগে কাঁটাতারের বেড়া তৈরির জন্য জমি চেয়েও পায়নি। তবে রাজ্যে নতুন সরকার গঠনের পর জমি নিয়ে জট কেটে গিয়েছে। সীমান্তে বেষ্টনীর জন্য জমি পেয়ে যাচ্ছে বিএসএফ।
KNOW
West Bengal News: সীমান্তবর্তী অঞ্চলে জমি হস্তান্তরের সিদ্ধান্তের সঙ্গে সঙ্গেই এবার কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের লক্ষ্যে জমি মাপজোকের কাজ শুরু করল সীমান্তরক্ষী বাহিনী (BSF) এবং ভূমি ও ভূমি রাজস্ব দপ্তর। মঙ্গলবার সীমান্তবর্তী বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে আধিকারিকরা সরজমিনে পরিদর্শন করেন এবং কোথায় কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া হবে, সেই জায়গাগুলি চিহ্নিত করার কাজ শুরু করেন। বিএসএফ-এর পক্ষ থেকে কোন অঞ্চল দিয়ে কাঁটাতারের বেড়া যাবে, সেই সমস্ত জায়গা ম্যাপ দেখে নির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করা হয়। পরে সেই নির্ধারিত অঞ্চলগুলিতে খুঁটি গেড়ে সীমান্ত চিহ্নিতকরণের কাজও শুরু করা হয়। এদিন ভূমি ও ভূমি রাজস্ব দপ্তরের আধিকারিকদের পাশাপাশি বিএসএফ আধিকারিকরাও উপস্থিত ছিলেন। সঙ্গে ছিলেন স্থানীয় গ্রামবাসীরাও, যাদের জমির উপর দিয়েই কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

সীমান্ত সুরক্ষিত করার উদ্যোগ
বিএসএফ সূত্রে জানা গিয়েছে, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া এই চিকেনস নেক (Chicken's Neck) সংলগ্ন সীমান্তবর্তী অঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরেই প্রায় সাড়ে চার কিলোমিটার জায়গা কাঁটাতারবিহীন অবস্থায় ছিল। ফলে অনুপ্রবেশ, গরু পাচার ও মানব পাচারের মতো অভিযোগ বারবার সামনে এসেছে। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে সীমান্ত সুরক্ষার জন্য কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হলেও জমি সংক্রান্ত জটিলতার কারণে কাজ এগোয়নি। অবশেষে জমি হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু হতেই সীমান্তে বেড়া নির্মাণের কাজ বাস্তবায়নের পথে বড় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। কোথায় রাস্তা হবে এবং কোন অংশে কাঁটাতারের বেড়া তৈরি হবে, তা নির্ধারণ করেই দ্রুত কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি শুরু করেছে প্রশাসন ও সীমান্তরক্ষী বাহিনী।
অনুপ্রবেশ নিয়ন্ত্রণে আসার আশায় স্থানীয় বাসিন্দারা
এই উদ্যোগে খুশি সীমান্তবর্তী অঞ্চলের বাসিন্দারা। তাঁদের আশা, কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ হলে সীমান্তে অনুপ্রবেশ ও পাচারের ঘটনা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসবে এবং নিরাপত্তা আরও জোরদার হবে। বিএসএফ-এর সঙ্গে সহযোগিতা করছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। ফলে সুরক্ষিত হতে পারে সীমান্ত।
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।


