ঘূর্ণিঝড় পরবর্তী উদ্ধারকাজ নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ রাজ্যপালের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন ধনখড় প্রয়োজন মনে করলে তবেই বিধ্বস্ত এলাকায় যাবেন


রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক ফোনে আড়ি পাতা বিতর্ক। একাধিক ইস্যুতে রাজ্য সরকারের সঙ্গে সরাসরি সংঘাতে জড়িয়েছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। এমন কী, তিনি সংবিধান মেনেই কাজ করছেন বলে কয়েকদিন আগেই সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীকে বার্তা দিয়েছেন রাজ্যপাল। পাল্টা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও ঘুরিয়ে রাজ্যপালকে 'বিজেপি-র লোক' বলে কটাক্ষ করেছেন। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

এই সংঘাতের আবহেই ঘূর্ণিঝড় বুলবুল পর উদ্ধারকাজ এবং পুনর্বাসন নিয়ে রাজ্য সরকারের কাজ নিয়ে বেশ কিছুটা সন্তোষ শোনা গেল রাজ্যপালের গলায়। এমন কী, বুলবুল পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে তিনি মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলেছেন বলেও জানিয়েছেন জগদীপ ধনখড়। এ দিন বিশ্বভারতীর অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পথে পশ্চিম বর্ধমানে রাজ্যপাল সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে জানান, যদি প্রয়োজন মনে করেন, তবেই বুলবুল প্রভাবিত এলাকাগুলির পরিস্থিতি দেখতে যেতে পারেন তিনি। আপাতত রাজ্য সরকারের উপরে ভরসা রাখছেন ধনখড়। 

রাজ্যপাল বলেন, 'মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী আকাশপথে পরিদর্শন করছেন। রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান হিসেবে তিনিই এই বিষয়টি সবথেকে ভাল বুঝবেন। আমি তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি, অন্যান্য এজেন্সির মাধ্যমেও খবরাখবর পাচ্ছি। যদি প্রয়োজন মনে হয়, তাহলে আমি নিশ্চয়ই বিধ্বস্ত এলাকাগুলিতে যাব। প্রত্যেক দুর্গতের কষ্ট লাঘব করতে হবে। তার জন্য আমি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাগুলির কাছেও আবেদন জানিয়েছি।'

বুলবুল পরবর্তী পরিস্থিতে যেভাবে রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় সরকার একসঙ্গে কাজ করেছে, তারও প্রশংসা করেন রাজ্যপাল। বুলবুল ঘূর্ণিঝড়ে নিহতদের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে জগদীপ ধনখড় বলেন, 'রাজ্য এবং কেন্দ্র একসঙ্গে যোগাযোগ রেখে কাজ করছে। যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোয় এভাবেই পারস্পরিক সহযোগিতা রেখে কাজ করতে হয়।'

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ দিনই আকাশপথে দক্ষিণ চব্বিশ পরগণায় বুলবুল প্রভাবিত এলাকা ঘুরে দেখেন। কাকদ্বীপে প্রশাসনিক বৈঠরও সারেন তিনি। সেখানেই মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, বুলবুলের মোকাবিলায় রাজ্য যা যা উদ্যোগ নিয়েছে, তার প্রশংসা করেছে কেন্দ্র।