Kakoli Ghosh Dastidar: মঙ্গলবার কল্যাণীতে প্রশাসনিক বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেই বৈঠকেই উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের বারাসতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। তাঁর সঙ্গে ছিলেন ৬ তৃণমূল বিধায়কও। 

বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস ধরাসায়ী হতেই কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল লোকসভার মুখ্যসচেতকের পদ থেকে। তাতে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে কাকলি অভিমান প্রকাশ করেছিল। দিন দুই আগে তিনি নিজেই বারাসত জেলার সাংগঠনিক পদ থেকে ইস্তফা দেন। সেই রেশ কাটতে না কাটতেই কাকলি উপস্থিত হলেন শুভেন্দু অধিকারীর প্রশাসনিক বৈঠকে। তাতেই তাঁর তৃণমূল কংগ্রেস ছাড়ার জল্পনা মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

কল্যাণীতে প্রশাসনিক বৈঠক শুভেন্দু অধিকারীর

মঙ্গলবার কল্যাণীতে প্রশাসনিক বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেই বৈঠকেই উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের বারাসতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। তিনি অবশ্য একা নন, তাঁর সঙ্গে ছিলেন উত্তর ২৪ পরগনার তৃণমূল কংগ্রেসের ৬ বিধায়কও। যা নিয়ে নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে।

মঙ্গলবার কল্যাণীতে প্রশাসনিক বৈঠক করেন শুভেন্দু। এপিজে আব্দুল কালাম প্রেক্ষাগৃহে উত্তর ২৪ পরগনা, নদিয়া ও হুগলি জেলার প্রশাসনিক আধিকারিকদের নিয়ে বৈঠক ছিল। আমন্ত্রিত ছিলেন ওই তিন জেলার বিধায়ক-সাংসদেরা। সেখানেই উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ ও বিধায়করা। উপস্থিত ছিলেন, দেগঙ্গার বিধায়ক আনিসুর রহমান বিদেশ, বাদুড়িার বুরহান উল মুকদ্দিন, স্বরূপনদরের বীনা মণ্ডল, বসিরহাট দক্ষিণের সুরজিৎ মিত্র , মিনাখার উষারানি মণ্ডল ও হাড়োয়ার আব্দুল মাতিন। তৃণমূলের সদ্য নির্বাচিত বিধায়কদের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর বৈঠকে উপস্থিত হওয়া নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। কারণ এর আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের প্রশাসনিক বৈঠকে বিরোধী দলের কোনও বিধায়ক বা জনপ্রতিনিধিদের দেখা যেত না। বিজেপির দাবি ছিল তাদের ডাকাই হতো না। তবে মমতার উল্টো পথে হাঁটছেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি মুখ্যমন্ত্রী হয়েই জানিয়ে দিয়েছেন, প্রশাসনিক কাজে বিরোধী দলের জনপ্রতিনিধিদের আমন্ত্রণ জানানো হবে।

বিজেপি সূত্রের খবর, মুখ্যমন্ত্রীর কথাতেই কাকলি -সহ তৃণমূলের প্রতিনিধিদের ডাকা হয়েছে। কাকলি বৈঠকে উপস্থিত হয়ে বলেন, 'প্রশাসন সবার, প্রশাসন কোনও দলীয় কর্মসূচি নয়।'তাঁরা সকলেই এই জাতীয় কর্মসূচিতে যোগদেন। তৃণমূলের বাকি জনপ্রতিনিধিরাও কাকলির সুরে কথা বলেছেন। তাদের ডাকা হয়েছে, তাই তারা উপস্থিত হয়েছেন বলেও জানিয়েছেন।