দীর্ঘ ২০ বছর পর লেখিকা তসলিমা নাসরিন বাংলায় ফিরেছেন। আঝকের অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী, শুভেন্দু অধিকারী, স্বপন দাশগুপ্ত সহ বিশিষ্টজনেরা তাঁকে স্বাগত জানান।তাঁকে ঘিরে বিশেষ বক্তব্য পেশ করেন স্বপন দাশগুপ্ত।
২০ বছর পর বাংলায় এসেন তসলিমা। আজ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। অনুষ্ঠানে তসলিমাকে স্মারক দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। ছিলেন আরও অনেক বিশিষ্টরা। স্বপন দাশগুপ্ত থেকে অগ্নিমিত্রা পল- ছিলেন অনেকেই।
আজকের অনুষ্ঠানে স্বপন দাশগুপ্ত বলেন, ‘আমি অনেক বছর ধরে অপেক্ষা করে আছি শুধু দুটো কথা বলার জন্য ওয়েলকাম ব্যাক তসলিমা।’ অর্থমন্ত্রী বললেন, ‘প্রথবার যখন শুনি তসলিমা ভিসা পাননি আমি ভাবতে পারিনি যে ওনাকে কেউ ভিসা দেবেন না। তখন আমি বিরোধী দল করি। আমরা ভাবতেই পারি না যে ভারতের মতো জায়গায় তসলিমার স্থান হতে পারে না। তসলিমা তো থাকবেই। কিন্তু বাংলা ভাষার চর্চা হয় সেই দিও স্থান ঢাকা ও কলকাতায় না এন্ট্রি স্থান ছিল তসলিমার। যাক কলকাতারটা কাটল। অন্য অংশটা বলব না কারণ ওটা কূটনৈতিক ব্যাপার হয়ে যাবে। এখন দুটো বিষয় করতে হবে, যে পরিস্থিতি তসলিমাকে যেভাবে তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল সেই পরিস্থিতি যেন আর কখনও ফেরত না আসে। তসলিমা যা লেখে তার সব কিছুতে আমি বিশ্বাস করি না। কিন্তু আমি ভাবতেও পারি না যে ওনাকে কেউ স্বাধীনভাবে কথা বলতে বারণ করবে, এই অসভ্যতাকে আমাদের দেশ থেকে দূর করতে হবে। আজ মুখ্যমন্ত্রী যা বললেন তসলিমা এখানে হাজারবার আসবেন আমরা সুরক্ষা দেব। ওনাকে কলকাতাকে ভালোবাসতে দিন। উনি তো বাংলা ভাষায় লেখেন তাই ওনাকে কলকাতায় থাকতে হবে।
দুই দশক পর ফের মুক্ত বাংলায় পা রাখলেন তসলিমা নাসরিন। ১৯৯৪ সালে বাংলাদেশ ত্যাগ করেন। পরবর্তীতে ২০০৭ সালে চরম বিতর্কের জেরে কলকাতা ছাড়তে হয়েছিল তাঁকে। দীর্ঘ প্রায় দুই দশক পর ফের শহরে এলেন তসলিমা। তসলিমা নাসরিনের অনুষ্ঠান ঘিরে ছিল কড়া নিরাপত্তা। যাতে কোনও আপত্তিকর পরিস্থিতি তৈরি না হয়, তাই পুলিশের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছিল বিশেষ ব্যবস্থা। মোতায়েন ছিল প্রচুর পুলিশ।


