প্রতিমা জলে পরতেই শীত শীত ভাব রাজ্যের একাধিক জেলায়। সকালের দিকে হালকা কুয়াশার চাদর মুড়ে ঘুম ভাঙ্গছে একাধিক জেলার। তবে, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে উধাও হচ্ছে কুয়াশা। আবহাওয়াবিদ সুজীব কর জানিয়েছেন, আগামী মাসের মাঝামাঝি অর্থাৎ নভেম্বর মাসের ১৪ - ১৫ তারিখ থেকেই জেলা গুলিতে সকালের দিকে শীতের প্রভাব অনুভূত হবে। কলকাতায় সেই অর্থে শীত অনুভূত না হলেও দক্ষিণবঙ্গের অন্যান্য জেলাগুলিতে বেশ অনুভূত হবে শীত। 

আরও পড়ুন- কাদা মেখে বিজয়ার শুভেচ্ছা বিনিময়, অভিনব বিজয়া দশমী পালন বাঁকুড়ায়

আবহাওয়াবিদ ডক্টর সুজীব কর আরও জানিয়েছেন, হিমালয় এর বেশ কিছু অংশে ইতিমধ্যেই বরফ পড়তে শুরু করেছে। তার শীতল বাতাস প্রবেশ করতে শুরু করেছে উত্তরবঙ্গ এবং দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায়। যদিও বঙ্গোপসাগরে এখনও অবস্থান করছে নিম্নচাপ। সেই কারণে উত্তরের শীতল বাতাস সরাসরি প্রবাহিত হতে পারছে না বঙ্গোপসাগরের দিকে। আবহাওয়া বিজ্ঞানীদের বক্তব্য, আগামী ৫ নভেম্বরের মধ্যে বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ সম্পূর্ণ কেটে যাবে। এতে উত্তরের বাতাস সহজে প্রবাহিত হতে পারবে বঙ্গোপসাগরের দিকে।

আরও পড়ুন- 'আসছে বছর আবার হবে', বিজয়ার শুভেচ্ছা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

অন্যদিকে এল নিনো সরে যাচ্ছে দক্ষিণ গোলার্ধে। তার ফলে শীতের রাস্তা সম্পূর্ণ উন্মুক্ত। কেবল শীতের রাস্তা উন্মুক্তই নয়, এবারে শীত ইনিংস লম্বা হবে বলেই মত হাওয়া অফিসের। যদিও আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর এখনই শীতের বিষয়ে বিশেষ কিছু বলতে চাইছেন না। তাদের বক্তব্য এখনই রাজ্যের শীতের প্রবেশ নিয়ে আগাম বার্তা তারা দিতে চান না। তবে, শীত প্রবেশে যে বিশেষ কোন বাধা নেই সেটা মানছেন আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর এর কর্তারা।