কাদা মেখে বিজয়ার শুভেচ্ছা বিনিময় দশমীতে আজব কাণ্ড বাঁকুড়ায় কেন কাদা মাখল এলাকার বাসিন্দারা জল ঢেলে পুকুর তৈরি করলেন পুজো উদ্যোক্তারা   

বিজয়া দশমীর অভিনব সেলিব্রেশন দেখল বাঁকুড়া। পুজো মণ্ডপ সংলগ্ন এলাকায় পুকুর তৈরির পর কাদা করে সেখানে বিজয়া পালন করলেন ক্লাব সদস্য থেকে স্থানীয় বাসিন্দারা। কাদা মাখিয়ে বিজয়ার শুভেচ্ছা বিনিময় করলেন সকলে। এই ধরনের বিজয়া শুভেচ্ছা বিনিময়ের কারণটাই বা কী?পুজো উদ্যোক্তারা জানালেন, এর নেপথ্যে লুকিয়ে রয়েছে পুরনো ইতিহাস।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

আরও পড়ুন-দশমীতে সৌজন্যতার নজির ভারতের, আট বাংলাদেশি নাগরিককে দেশে ফেরত পাঠাল বিএসএফ

এই অভিনব বিজয়ার শুভেচ্ছা বিনিময়ের কাণ্ডটি ঘটেছে বাঁকুড়ার জয়পুর থানার ঝগড়াই গ্রামে। সোমবার বিজয়া দশমী। মা দুর্গার বিদায়ের পালা। আকাশে বাতাসে বিষাদের সুরে বিজয়ার শুভেচ্ছা বিনিময়ে মাতলেন ঝগড়াই গ্রামের বাসিন্দারা। করোনা আবহের মধ্যে সুরক্ষা বিধি মেনে সাতটি পুকুরের জল এনে কাদা তৈরি করেন পুজো উদ্যোক্তারাষ আর সেখানেই নিজেদের মধ্যে কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি করে বিজয়া শুভেচ্ছা বিনিম. করলেন আট থেকে আশি।

আরও পড়ুন-বাতাসে বিষাদের সুর, দর্শক শূন্য মণ্ডপে সিঁদুর খেলায় মাতলেন মহিলারা

বাঁকুড়ার ঝগড়াই গ্রামের দুর্গা পুজো পাঁচশো বছরের পুরনো। কথিত আছে, মল্লরাজা রঘুনাথ সিংহ দেবী দূর্গার দর্শন পেয়ে এলাকার একটি জমি সংক্রান্ত বিবাদ মিটিয়েছিলেন। তারপর, থেকেই দেবী দূর্গার পুজো শুরু করেন রঘুনাথ সিংহ। লাঠিয়ালদের নিয়ে বৃষ্টির মধ্যে উৎসব পালন করেছিলেন তিনি। সেই থেকেই বিজয়া দশমী কাদা মেখে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন বাঁকুড়াবাসী। সোমবার সকাল থেকে মন্দির চত্বরে কাদা খেলায় মাতলেন সকলে।