সই জাল করে সংস্থার যৌথ অ্যাকাউন্ট থেকে প্রায় দেড় কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে গ্রেফতার ব্যবসায়ী পবন ভীমসরিয়াকে জেল হেফাজতে পাঠাল আদালত। শুক্রবার তাঁকে আদালতে পেশ করা হলে ৫ অক্টোবর পর্যন্ত জেল হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়। অভিযোগ, নিজের ভাই সঞ্জয় ভীমসরিয়ার সই জাল করে কলকাতার একটি সংস্থার যৌথ ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে প্রায় ১.৫ কোটি টাকা তোলা হয়েছিল।

সই জাল করে সংস্থার যৌথ অ্যাকাউন্ট থেকে প্রায় দেড় কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে গ্রেফতার ব্যবসায়ী পবন ভীমসরিয়াকে জেল হেফাজতে পাঠাল আদালত। শুক্রবার তাঁকে আদালতে পেশ করা হলে ৫ অক্টোবর পর্যন্ত জেল হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়। অভিযোগ, নিজের ভাই সঞ্জয় ভীমসরিয়ার সই জাল করে কলকাতার একটি সংস্থার যৌথ ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে প্রায় ১.৫ কোটি টাকা তোলা হয়েছিল।

ঘটনার সূত্রপাত ২০২৩ সালের নভেম্বর মাসে। সঞ্জয় ও পবন দু’জনেই ‘এসডিবি ডেভেলপার্স প্রাইভেট লিমিটেড’-এর ডিরেক্টর। কলকাতার এমজি রোডের ব্যাঙ্ক অফ বরোদার শাখায় সংস্থার একটি যৌথ অ্যাকাউন্ট ছিল। সেই অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা লেনদেনের জন্য দু’জনের সই প্রয়োজন ছিল। সঞ্জয়ের অভিযোগ, ২০২৩ সালের ২১ নভেম্বর তাঁর অনুমতি বা সম্মতি ছাড়াই ওই অ্যাকাউন্ট থেকে একাধিক লেনদেনের মাধ্যমে প্রায় ১.৫ কোটি টাকা সরানো হয়। কোনও চেক, ম্যান্ডেট বা ব্যাঙ্কিং নথিতে তিনি সই করেননি বলেও দাবি করেন তিনি। পরে ব্যাঙ্কের তরফে একটি চেক দেখানো হলে তাতে তাঁর সই জাল করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন সঞ্জয়। বিষয়টি নিয়ে তিনি বড়বাজার থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

এই মামলায় দীর্ঘদিন পবনকে গ্রেফতার করা হয়নি বলেও অভিযোগ উঠেছিল। শেষ পর্যন্ত বড়বাজার থানার পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারের পর তদন্তের স্বার্থে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছিল তাঁকে। পুলিশি হেফাজতে থাকাকালীন তদন্তকারীরা হাওড়ার আমায়া রিসর্টেও তল্লাশি চালান।

তদন্তকারীদের মূল লক্ষ্য, যৌথ অ্যাকাউন্ট থেকে কীভাবে বিপুল অঙ্কের টাকা লেনদেন করা হয়েছিল, কারা এর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং জাল সই ব্যবহার করে ওই লেনদেনের পিছনে আরও কেউ ছিলেন কি না, তা খতিয়ে দেখা।

এদিকে, ব্যাঙ্কের কোনও কর্মী এই ঘটনায় যুক্ত ছিলেন কি না, সেই অভিযোগও উঠেছে। তবে এই বিষয়ে এখনও তদন্ত চলছে। অভিযোগের সত্যতা এবং ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত, তা তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত স্পষ্ট নয়। শুক্রবার আদালত পবন ভীমসরিয়াকে আগামী ৫ অক্টোবর পর্যন্ত জেল হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে। ফলে আপাতত জেলেই থাকতে হবে অভিযুক্ত ব্যবসায়ীকে।