বাম নেতাকে নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট করলেন তৃণমূলের সোশ্যাল মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক দেবাংশু ভট্টাচার্য। ইতিমধ্যেই দেবাংশুর পোস্ট ঘিরে শোরগোল পড়ে গিয়েছে বিভিন্ন মহলে।

গত শনিবার থেকেই ফুসফুসে ও শ্বাসনালীতে সংক্রমণ নিয়ে দক্ষিণ কলকাতার বেসরকারি হাসপাতালে রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। ধীরে ধীরে শারীরিক অবস্থার উন্নতি হচ্ছে তাঁর। এরই মধ্যে বাম নেতাকে নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট করলেন তৃণমূলের সোশ্যাল মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক দেবাংশু ভট্টাচার্য। ইতিমধ্যেই দেবাংশুর পোস্ট ঘিরে শোরগোল পড়ে গিয়েছে বিভিন্ন মহলে। বুদ্ধবাবুর জন্য রক্তদানের ইচ্ছাপ্রকাশ করে ফেসবুকে একটি পোস্ট করেছেন দেবাংশু। ফেসবুকে দেবাংশু লিখেছেন,'বুদ্ধ বাবুকে রক্ত দিতে হবে শুনলাম। প্রয়োজনে রক্তের গ্রুপ সহ জানাবেন, তৃণমূল কর্মীরা দিয়ে আসবে।'

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

দেবাংশুর এই মন্তব্যের পড়েই সমালোচনা শুরু হয়েছে বিভিন্ন মহলে। অনেকেই কমেন্ট ও লাইক করেছেন পোস্টটিতে ইতিমধ্যেই ৭৫ জন পোস্টি শেয়ারও করেছেন। অন্যদিকে শারীরিক পরিস্থিতিতে সামান্য উন্নতি হতেই চিকিৎসকদের কাছে বাড়ি ফেরার আবেদন করেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। বরাবরই হাসপাতালে চিকিৎসা করানোয় অনিহা প্রকাশ করেছেন বাম নেতা। এবারও ঘটনায় বিশেষ পরিবর্তন দেখা গেল না। জানা যাচ্ছে ইতিমধ্যেই বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য চিকিৎসকদের বলতে শুরু করেছেন তাঁকে এবার ছেড়ে দেওয়া হোক। ঘনিষ্ঠ মহলেও একই কথা বলেছেন তিনি। কিন্তু এই মুহুর্তে তাঁকে হাসপাতাল থেকে ছুটি দিতে নারাজ চিকিৎসকরা। মেডিক্যাল বোর্ডের এক চিকিৎসক জানিয়েছেন, সংক্রমণের মাত্রা বেশ খানিকটা কমলেও সংক্রমণমুক্ত নন তিনি। এখনও বাইব্যাপ সাপোর্ট পুরো সরিয়ে নেওয়া যায়নি।

গত শনিবার রাতে ফুসফুস এবং শ্বাসনালিতে গুরুতর সংক্রমণ হওয়ায় আলিপুরের বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে। সেই রাতেই তৎক্ষনাৎ ইনভেসিভ ভেন্টিলেশনে দেওয়া হয় তাঁকে। ধরা পরে নিউমোনিয়াও। সোমবার পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসায় ভেন্টিলেশন থেকে বের করে আনা হয় বুদ্ধদেবকে। আগের চেয়ে এখন পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে। তবে সামান্য সুস্থ হতেই বাড়ি ফিরতে চেয়েছেন তিনি। চিকিৎসকদের কাছে তাঁর আবদার,'আমাকে এ বার ছেড়ে দিন।'