ED Raid News: ভোটের বঙ্গে ফের ময়দানে ইডি। সাতসকালে দক্ষিণ কলকাতার বালিগঞ্জে ইডির হানা। ইডির হানা ব্যবসায়ীর বাড়িতে। কী কারণে এই ইডির হানা? শহরের মোট কত জায়গায় চলছে কেন্দ্রীয় এজেন্সির তল্লাশি অভিযান? বিশদ তথ্যের জন্য পড়ুন সম্পূর্ণ প্রতিবেদন…

ED Raid News: রাজ্যে ভোটের দিন যত এগিয়ে আসছে ততই বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তেজনা। ভোটমুখি বঙ্গে ফের সক্রিয় ইডি। এবার বালিগঞ্জে ইডির হানা। বালিগঞ্জে সোনা পাপ্পুর বাড়িতে সাতসকালে বড়সড় ইডি অভিযান। গোটা এলাকা ঘিরে ফেলা হল কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে। অভিযোগ, কলকাতার বালিগঞ্জ এলাকায় বেশকিছু সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করেন এই পাপ্পু সোনা। এমনকি বিভিন্ন নির্মাণ সংস্থার কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা তোলারও অভিযোগ উঠেছে এই পাপ্পু সোনার বিরুদ্ধে। সূত্রের খবর, শহরে ইডি হানা। সোনা পাপ্পুর বাড়িতে ইডি। গোলপার্ক-এর কাঁকুলিয়া রোডের বাড়িতে ইডি। বালিগঞ্জ, তপসিয়া এলাকায় বিভিন্ন নির্মাণকারী সংস্থার থেকে তোলাবাজি অভিযোগে তদন্ত ইডি। কোটি কোটি টাকা আর্থিক দুর্নীতি। বেআইনি ভাবে জমি দখল। বেআইনি ভাবে নির্মাণ। বেআইনি ভাবে বিক্রি। জমি ব্যবসার নামে তোলাবাজি। এরকম একাধিক অভিযোগ এ ED-এর এফআইআরে। একযোগে কলকাতা সহ মোট ৬ জায়গায় ইডি-এর ম্যারাথন অভিযান। যার মধ্যে বালিগঞ্জ এই ৩ জায়গায় ED অভিযান।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

শহরের কোথায় কোথায় চলছে ইডির অভিযান?

কসবার ত্রাস সোনা পাপ্পুর বাড়ি ফার্ন রোড-এ ED অভিযান।

সোনা পাপ্পু ঘনিষ্ঠ রাহুল দাস-এর বাড়ি গোলপার্ক কাঁকুলিয়াতে ইডি অভিযান।

অন্য দিকে অশ্বিনী দত্ত রোড "Sun enterprise" নির্মাণকারী সংস্থার অফিস-এও ইডি হানা।

ইডি সূত্রে খবর , মোট ১ কোম্পানী কেন্দ্রীয় বাহিনী রয়েছে এই গোটা অভিযানে আছে।

প্রসঙ্গত,গত ১ ফেব্রুয়ারি কাঁকুলিয়া-তে বোমাবাজি থেকে গুলি চালানোর অভিযোগে নাম জড়ায় সোনা পাপ্পু-এর। গ্রেফতার ছিল বহু। তবে সোনা পাপ্পু এখনো অধরা। শহরের বিভিন্ন থানায় সোনা পাপ্পু এর বিরুদ্ধে মোট ১৫ টি মামলা রয়েছে। তারপরেও পুলিশের হাতের নাগালের বাইরে এই সোনা পাপ্পু। এবার তার খোঁজ পেতেই ED অভিযান।

অন্য দিকে, ইডি সূত্রে খবর সোনা পাপ্পু ঘনিষ্ঠ রাহুল দাস। নির্মাণ সামগ্রী-এর ব্যাবসায়ী এর বাড়ি তে ED পৌঁছলে প্রথমে পরিবার এর সদস্যরা জানান রাহুল বাড়ি নেই। পড়ে জানা যায়, রাহুল বাড়িতেই কোনও একটি বক্সে লুকিয়ে ছিলো। ED সূত্রে খবর,এই সমস্ত টাকা বিভিন্ন ভুয়ো কোম্পানী এবং কনস্ট্রাকশন কোম্পানির মাধ্যমে একাধিক প্রভাবশালীদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হতো।

Scroll to load tweet…