সুন্দরবনের এক মহিলা তাঁর প্রতিবন্ধী স্বামীকে পিঠে করে কলকাতার সল্টলেকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর 'জনতা দরবার'-এ হাজির হন। তাঁদের মূল আর্জি ছিল একটি ইলেকট্রিক গাড়ি এবং সরকারি বাড়ির জন্য সাহায্য। 

সুন্দরবনের এক মহিলা তাঁর প্রতিবন্ধী স্বামীকে পিঠে চাপিয়ে সোজা হাজির হলেন সল্টলেকের বিজেপি অফিসে। উদ্দেশ্য, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর জনতা দরবারে গিয়ে একটি ইলেকট্রিক গাড়ি এবং সরকারি ঘরের জন্য সাহায্য চাওয়া। রাজধানী কলকাতায় আয়োজিত এই 'জনতা দরবার'-এ সাধারণ মানুষ সরাসরি তাঁদের অভাব-অভিযোগ জানানোর সুযোগ পেয়েছিলেন। সেই সুযোগ নিতেই এই দম্পতি সুন্দরবন থেকে কলকাতায় ছুটে আসেন।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

জনতার দরবারে স্বামীকে পিঠে চাপিয়ে মহিলা

সংবাদ সংস্থা ANI-কে সন্ন্যাসী মণ্ডল জানান, তিনি ও তাঁর স্ত্রী রাজ্য সরকারের থেকে সাহায্যের আশা নিয়েই সুন্দরবন থেকে এসেছেন। তাঁর দাবি, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী আশ্বাস দিয়েছেন যে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যেই সমস্যার সমাধান করা হবে।

তিনি বলেন, "আমি সুন্দরবন থেকে এসেছি। আমি খুব অসহায়, আমার একটা ইলেকট্রিক গাড়ি দরকার। আমার স্ত্রী লক্ষ্মীর ভাণ্ডার থেকে কোনও সুবিধা পায়নি। আমি একজন প্রতিবন্ধী, তাই একটা নিজের বাড়ির জন্য মঞ্চে উঠে অনুরোধ জানিয়েছি। মুখ্যমন্ত্রী আমাদের আশ্বাস দিয়েছেন যে ৭ দিনের মধ্যে সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।"

সন্ন্যাসী মণ্ডলের কথা অনুযায়ী, যাতায়াতের সুবিধার জন্য একটি ইলেকট্রিক গাড়ির পাশাপাশি, তাঁর স্ত্রী লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের সুবিধা না পাওয়া এবং একটি সরকারি বাড়ির জন্যও তাঁরা আবেদন জানিয়েছেন।

শুভেন্দু অধিকারীর জনতার দরবার

রাজ্য সরকারের জনসংযোগ কর্মসূচির অংশ হিসেবে এই জনসভা আয়োজন করা হয়েছিল, যেখানে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী এবং সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের কাছে নিজেদের সমস্যা তুলে ধরার সুযোগ পান। শুভেন্দু অধিকারীর জনতার দরবারে আগেই হাজির হয়েছিলেন রাজ্যের চাকরিপ্রার্থী শিক্ষক শিক্ষিকারা। হাজির হয়েছিলেন শিল্পীরাও। পূর্বতন সরকারের আমলে তাদের থেকে অনুষ্ঠানের জন্য কাটমানি চাওয়া হত বলেও অভিযোগ করেন অনেকে।