আরজি কর হাসপাতাল কাণ্ডে অবশেষে মুখ খুললেন কবীর সুমন। একদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমালোচনা করেছেন, অন্যদিকে তাঁর প্রশংসাও করেছেন। আন্দোলনকারীদের ভূমিকা নিয়েও সরব হয়েছেন তিনি।

আরজি কর হাসপাতাল কাণ্ডে অবশেষে মুখ খুললেন কবীর সুমন। সোশ্যাল মিডিয়ায় লম্বা পোস্ট করে একদিকে তিনি যেমন মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের সমালোচনা করেছেন। অন্যদিকে তেমনই তাঁর স্তুতিও করেছেন। পাশাপাশি আন্দোলনকারীদের ভূমিকা নিয়েও সরব হয়েছেন সঙ্গীত শিল্পি। সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে তিনি নিজেকে সঙ্গীত শিল্পির পাশাপাশি সঙ্গীত সেবক হিসেবেই অভিহিত করেছেন।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

কবীর সুমন তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে প্রথমেই বাংলার জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যা যা করেছেন তারজন্য কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। তবে তিনি সোমবার নবান্নে মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের করা উক্তি 'উৎসবে ফিরুন' মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেন তিনি বলেন, 'এই দেশে আর কোন কোন নৃশংস কাণ্ড ঘটছে তার প্রসঙ্গ না টেনেও বলব আর জি করের ঘটনায় অনেকেই রুষ্ট, অনেকেই আন্দোলনে নেমেছেন। ' এজাতীয় মন্তব্য করা উচিৎ হয়নি বলেও তিনি মন্তব্য করেন। একই সঙ্গে আন্দোলনের রূপরেখা নিয়েও তিনি তাঁর সুচিন্তিত মতামত দিয়েছেন। যাতে তিনি একদিকে আন্দোলনকারীদের প্রশংসা করেছেন। অন্যদিকে আন্দোলনকারীদের সমালোচনা করেছেন।

আন্দোলনকারীদের গান গাওয়া, ছবি আঁকার প্রশাংসা করেছেন। তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়কে 'চটিপিসি' 'চটিচাটা' বলার তীব্র নিন্দা করেছেন। তাঁক কথায় 'এঁরা নাকি এক মহিলাকে ধর্ষণ ও খুন করা হয়েছে বলে আন্দোলনে নেমেছেন। এঁরাই আবার প্রায় সোত্তর বছর বয়সী এক মহিলাকে এইভাবে অপমান করছেন, যদিও, যা দেখলাম, তাঁকে ও তাঁর দলকে ভোটে হারিয়ে সরকার গঠন করার ক্ষমতা কারুরই নেই। ' কবীর সুমন তাঁর পোস্টে সিপিআএম-এর তীব্র সমালোচনা করেছেন। বিজেপিকেও ছেড়ে কথা বললেনি। তবে পোস্টের শেষে মমতার উৎসবে ফিরুন মন্তব্যকে হৃদয়হীন ও অন্যয় বলে দাবি করেছেন।

সোমবার নবান্নে সাংবাদিক সম্মেলনে মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায় আরজি কর আন্দোলন ইস্যুতে বলেছিলেন, 'একমাস হয়ে গেল এবার তো উৎসবে ফিরুন।' দুর্গাপুজোয় রাজ্যের নাগরিকদের ফেরার কথা বলেছেন তিনি। যার সমালোচনা করেছেন অনেকেই। আন্দোলনকারী জুনিয়র ডাক্তাররাও মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যের সমালোচনা করে বলেন, তাঁরা আপাতত উৎসবে ফিরছেন না। আন্দোলন চালিয়ে যাবেন নির্যাতিতার বিচার না পাওয়া পর্যন্ত।

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।