Kalighat OC Transfer News: বঙ্গে আর বাকি দ্বিতীয় দফায় নির্বাচন। শেষপর্বের ভোট শান্তিপূর্ণ ভাবে মেটাতে এবার একমাসের মধ্যে ফের কালীঘাট সহ একাধিক থানার পুলিশ পদে রদবদল। কোথায় কোথায় বদল আনল কমিশন? বিশদে জানতে পড়ুন সম্পূর্ণ প্রতিবেদন…

Kalighat OC Transfer News: দ্বিতীয় দফা ভোটের মুখে ফের পুলিশে রদবদল। কালীঘাট-সহ কলকাতার তিন থানায় নতুন ওসি নিয়োগ। দ্বিতীয় দফা ভোটের ঠিক আগে কলকাতা পুলিশে বড়সড় রদবদল ঘটাল নির্বাচন কমিশন। খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কেন্দ্র ভবানীপুরের কালীঘাট থানার ওসি-কে সরিয়ে দেওয়া হলো। সেই সঙ্গে আলিপুর এবং উল্টোডাঙা মহিলা থানার দায়িত্বেও আনা হয়েছে নতুন মুখ। কমিশনের পক্ষ থেকে বিজ্ঞপ্তি জারি করে এই রদবদলের কথা জানানো হয়েছে।

কালীঘাটে এক মাসে দ্বিতীয়বার পুলিশ আধিকারিক বদল:-

সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হলো কালীঘাট থানার ওসি পরিবর্তন। গত ২৯ মার্চ এই থানায় নিয়ে আসা হয়েছিল লালবাজারের গোয়েন্দা বিভাগের উৎপল ঘোষকে। কিন্তু দায়িত্ব নেওয়ার এক মাস পূর্ণ হওয়ার আগেই তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হলো। তাঁর জায়গায় নতুন ওসি হিসেবে দায়িত্ব নিচ্ছেন কলকাতা পুলিশের স্পেশ্যাল ব্রাঞ্চের গৌতম দাস। শুধুমাত্র ওসি নন, কালীঘাট থানার অতিরিক্ত ওসি-কেও বদলেছে কমিশন। সেই পদে আসছেন উত্তম পাইক।

রদবদল আলিপুর ও উল্টোডাঙা থানাতেও

কালীঘাট ছাড়াও শহরের আরও দুটি থানায় পরিবর্তন আনা হয়েছে বলে কমিশন সূত্রে খবর। আলিপুর থানা: এই থানার নতুন ওসি করা হয়েছে সুব্রত পাণ্ডেকে।

উল্টোডাঙা মহিলা থানা: এই থানার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে চামেলি মুখোপাধ্যায়কে। উল্লেখ্য, তিনি এর আগে আলিপুর থানার অতিরিক্ত ওসি পদে কর্মরত ছিলেন।

নেপথ্যে কি ভবানীপুরের হাই-ভোল্টেজ লড়াই?

আগামী ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফায় ভোটগ্রহণ হবে ভবানীপুর কেন্দ্রে। এই কেন্দ্রে এবার লড়াই সবথেকে হাই-ভোল্টেজ, কারণ একদিকে রয়েছেন তৃণমূল প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অন্যদিকে বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। ২০২১-এর নন্দীগ্রাম যুদ্ধের পুনরাবৃত্তি এবার ভবানীপুরে। কমিশনের পক্ষ থেকে নির্দিষ্ট কোনও কারণ দর্শানো হয়নি, তবে ওয়াকিবহাল মহলের মতে, ভোট প্রক্রিয়াকে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ এবং কঠোর নজরদারির মধ্যে রাখতেই এই পদক্ষেপ।

কমিশনের কড়া অবস্থান

ভোট ঘোষণার পর থেকেই রাজ্যে একাধিক আইপিএস এবং প্রশাসনিক স্তরের আধিকারিকদের সরিয়ে দিচ্ছে কমিশন। স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, যে সমস্ত আধিকারিকদের নির্বাচন সংক্রান্ত দায়িত্ব থেকে সরানো হচ্ছে, ভোট মেটা পর্যন্ত তাঁরা কোনও নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারবেন না।

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।