Kolkata Municipal News: জনসংখ্যার ভারসাম্য বজায় রাখতে এবার কলকাতা পুরসভা এলাকায় বাড়ছে ওয়ার্ডের সংখ্যা। আগে কতগুলি ওয়ার্ড ছিলো? এবং বর্তমানে ওয়ার্ড সংখ্যা বেড়ে কত হচ্ছে? বিশদে জানতে পড়ুন সম্পূর্ণ প্রতিবেদন।।

Kolkata Municipal News: নভেম্বর মাসে নির্বাচন হওয়ার যে কথা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেছিলেন, সেই নির্বাচনকে সামনে রেখেই কলকাতা পুরসভায় এক ঐতিহাসিক প্রশাসনিক রদবদল হতে চলেছে। পুরসভার বর্তমান ১৪৪টি ওয়ার্ডের মধ্যে জনসংখ্যার কোনও ভারসাম্য ছিল না। এই ভারসাম্য বজায় রাখতে এবার কলকাতা পুরসভার মোট ওয়ার্ডের সংখ্যা ১৪৪ থেকে বাড়িয়ে ২০০টি করা হচ্ছে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

এই বিষয়ে কমিশনার স্মিতা পাণ্ডে জানান:-

লক্ষ্যমাত্রা: প্রতিটি ওয়ার্ডের জনসংখ্যা ১৬ থেকে ২০ হাজারের মধ্যে রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে।

কমিটি গঠন: ওয়ার্ড পুনর্গঠনের বা ডিলিমিটেশনের এই কাজের জন্য দুটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে, যারা পুরো বিষয়টি সার্ভে করে দেখবে।

ভিত্তি: ভোটার তালিকার জনসংখ্যাকে (ইলেকটোরাল পপুলেশন) সামনে রেখে এবং মূল জনসংখ্যার ওপর ভিত্তি করেই এই ডিলিমিটেশন করা হবে।

পরবর্তী পদক্ষেপ: ইতিমধ্যে ডিলিমিটেশনের কাজ শুরু হয়ে গেছে। একটি খসড়া তালিকা (ড্রাফট পাবলিকেশন) প্রকাশ করা হবে, যার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের দাবি ও আপত্তি (ক্লেম অ্যান্ড অবজেকশন) খতিয়ে দেখা হবে।

বিল্ডিং অনুমোদন ও হাওয়ালা চক্রে কড়া পুরসভা, আটকে সার্টিফিকেশন। 

গার্ডেনরিচ-তারতলা এলাকায় বহুতল ভেঙে পড়ার ঘটনার পর একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছিল, যা ১১টি সুনির্দিষ্ট কেস করার সুপারিশ করে। সেই হাই-লেভেল কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, যারা তিন বছর আগে বিল্ডিং প্ল্যানের জন্য আবেদন করেছিলেন, তাদের এবার সম্পূর্ণ নতুন করে আবেদন জানাতে হবে।

নির্মাণ অনুমোদন সংক্রান্ত বর্তমান পরিস্থিতি:

আবেদনের খতিয়ান: বিগত ৩ বছরে মোট ৩৪৪টি স্যাংশন প্ল্যান দেওয়া হয়েছিল, যার মধ্যে নতুন করে ২০০টি আবেদনপত্র জমা পড়েছে।

শুনানির সমস্যা: ২০০টি আবেদনের মধ্যে ১৫০টির শুনানি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলেও, অনেকেই শুনানিতে উপস্থিত হচ্ছেন না।

অনুমোদন: টেকনিক্যাল সাব-কমিটির কাছে মোট ৪১টি কেস পেশ করা হয়েছিল। তার মধ্যে স্মিতা পাণ্ডে জানান যে, ১১টি আবেদনকে সবুজ সংকেত বা ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।

আবেদন ফেরত: বাকি থাকা কেসগুলোর মধ্যে ২৩টি আবেদনকে কলকাতা পুরসভা পুনরায় কমিটির কাছে ফেরত পাঠিয়েছে। আজকেও এই বিষয়ে কারিগরি বা টেকনিক্যাল কমিটির একটি বৈঠক রয়েছে।

শ্রমিক ও এসওপি সমস্যা: পুর প্রশাসন স্বীকার করেছে যে, বর্তমানে নির্মাণ শ্রমিকদের ক্ষেত্রে একটি বড় সমস্যা দেখা দিচ্ছে। বিশেষ করে শ্রমিকদের সার্টিফিকেশনের ক্ষেত্রে আইনি জটিলতা তৈরি হচ্ছে। এছাড়া গত ৩ বছর ধরে নির্দিষ্ট এসওপি (SOP)-এর কথা বলা হলেও দেখা গেছে, অনেকে অনুমোদন পেয়ে যাওয়ার পরও এখনো কাজ শুরু করেননি।

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।