টানাপোড়েনের পর ট্যাংরার ক্রিস্টোফার রোডের হেলে পড়া বহুতল ভাঙার কাজ শুরু হয়েছে। মেয়র ফিরহাদ হাকিম আশ্বাস দিয়েছেন আবাসিকদের বাংলা আবাস প্রকল্পে বাড়ি করে দেওয়া হবে।

দিনভর টানাপোড়েনের জেরে বৃহস্পতিবার ট্যাংরার ১১/২ ক্রিস্টোফার রোডের হেলে পড়া বহুতল ভাঙার কাজ এখন শুরু হয়নি। কিন্তু, শুক্রবার কাউন্সিলর সন্দীপন সাহার মধ্যস্থতায় ছয় তলার বাড়ির ছাদ ভাঙা শুরু হল। মেয়র ফিরহাদ হাকিম আশ্বাস দিনে এই বিষয়। তিনি বলেন, যদি আবাসিকরা আবেদন করেন, ওই জমিতে বাংলা আবাস প্রকল্পে বাড়ি করে দেবে কলকাতা পুরসভা।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

তিনি বলেন, কারও মাথার থেকে ছাদ কেড়ে নেওয়া পুরসভার উদ্দেশ্য নয়। কিন্তু গার্ডেনরিচের মতো বিপর্যয় আর চাই না। একটি জীবন অমূল্য। সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার জন্য পুর বিল্ডিং বিভাগ আইনানুগ ব্যবস্থা নিতেই পারত। কিন্তু সে রকম কোনও কাজ করা হবে না।

তিনি আরও বলেন, হেলে পড়া বহুতলের কিছু লোকজনের সঙ্গে কথা বলেছি। বাড়ি ভাড়া করে থাকার মতো সঙ্গতি নেই। কয়েকজন কাঁদছিলেন। এখন বাড়ি ভাঙা বন্ধ করার জন্য শুনানি হতে পারে। কিন্তু আমার সিদ্ধান্ত নয়। বাড়ি ভাঙার সুপারিশ করেছে স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার। তাদের উপস্থিতিতে বাড়ি ভাঙা হচ্ছে। কতটা ভাঙা হবে, তাও ঠিক করবেন।

তিনি আরও বলেন, আবাসিকরা পুরসভার কাছে আবেদন করলে বাংলার আবাস প্রকল্পে তাঁদের ওই জমিতে বাড়ি করে দিতে পারে পুরসভা। এদিন টক টু মেয়র অনুষ্ঠানে মেয়র জানান, সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছে সিসি না পাওয়া পর্যন্ত কোনও বাড়ি অথবা বহুতল ভবনের জল, নিকাশী এবং বিদ্যুৎ সংযোগ দেওযা যাবে না। দেশের সর্বোচ্চ আদালতের এই নির্দেশ সব রাজ্যের সর পুরসভার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। তাই কলকাতা পুরসভাও সিইএসসি এবং বিদ্যুৎ পর্ষদকে এই নির্দেশ জানিয়ে দেওয়া হচ্ছে।