শুভেন্দু লেখেন, আরজি কর কাণ্ডের (RG Kar Case) নির্যাতিতার ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক দলের অংশ ছিলেন অপূর্ব বিশ্বাস। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সিবিআই দফতর থেকে বেরনোর সময় তিনি সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে এক বিস্ফোরক দাবি করেন।

সম্প্রতি আরজি করের ফরেন্সিক বিভাগের অধ্যাপক অপূর্ব বিশ্বাস দাবি করেন, নির্যাতিতার তড়িঘড়ি ময়নাতদন্তের জন্য চাপ দেওয়া হয়েছিল! সোমবার সকালে নিজের এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্ট করেন নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়ক। সেখানে উল্লেখ করা হয় অপূর্ব বিশ্বাসের বক্তব্যের। তিনি বলেছিলেন প্রয়াত চিকিৎসকের কাকা পরিচয়ে এক ব্যক্তি বলেছিলেন, ওই দিন যদি ময়নাতদন্ত না হয়, তাহলে রক্তগঙ্গা বয়ে যাবে! এবার এই নিয়ে সরব হলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) লিখেছেন, ‘ওই ব্যক্তি সঞ্জীব মুখোপাধ্যায়। পানিহাটি পুরসভার প্রাক্তন সিপিআইএম কাউন্সিলর। পরবর্তীতে তৃণমূলে যোগ দেন এবং পানিহাটির তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষের ঘনিষ্ঠ হয়ে ওঠেন’। এখানেই না থেমে আরজি কর কাণ্ডের নির্যাতিতার তড়িঘড়ি দাহ করার বিষয়টিও উল্লেখ করেন তিনি।

শুভেন্দু লেখেন, আরজি কর কাণ্ডের (RG Kar Case) নির্যাতিতার ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক দলের অংশ ছিলেন অপূর্ব বিশ্বাস। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সিবিআই দফতর থেকে বেরনোর সময় তিনি সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে এক বিস্ফোরক দাবি করেন।

বিরোধী দলনেতা লিখেছেন, ‘চিকিৎসক জানিয়েছেন, নির্যাতিতার কাকার পরিচয়ে এক ব্যক্তি হুমকি দেন, সেদিনের মধ্যে ময়নাতদন্ত না হলে রক্তগঙ্গা বয়ে যাবে’। সেই ব্যক্তি একজন প্রাক্তন কাউন্সিলর, দাবি করেছেন বিজেপি (BJP) নেতা। একইসঙ্গে ওই ব্যক্তির নাম, পরিচয়ও সর্বসমক্ষে এনেছেন তিনি।

শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) প্রশ্ন, শ্মশানের কাগজে সোমনাথ দে নামে একজনের নাম/স্বাক্ষর রয়েছে। ওই একই নামে পানিহাটি পুরসভায় একজন প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলর রয়েছেন। উনি কি সেই একই ব্যক্তি? আরজি কর কাণ্ড নিয়ে রাজ্য যখন উত্তাল, সেই সময় ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসকের দাবিতে স্বভাবতই আলোড়ন পড়ে গিয়েছে। এরপর শুভেন্দুর পোস্টে তাতে নয়া মাত্রা যোগ হয়েছে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

Scroll to load tweet…

বিজেপি বিধায়ক লেখেন, ‘সবাই জানেন, নির্যাতিতাকে তড়িঘড়ি দাহ করা হয়েছিল। … মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে পানিহাটির বিধায়ক নির্মল ঘোষ নিজে সেখানে উপস্থিত ছিলেন। অদ্ভুতভাবে নির্যাতিতার আত্মীয় না হয়েও শ্মশানের কাগজে সই রয়েছে সঞ্জীব মুখোপাধ্যায়ের’।

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।