এবার বিধাননগর পুরনিগমের মেয়র কৃষ্ণা চক্রবর্তীর (Krishna Chakraborty) পদত্যাগ। ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে পদ ছাড়লেন কৃষ্ণা চক্রবর্তী। বিধাননগর পুরনিগমের কমিশনারের কাছে পদত্যাগের চিঠি জমা দিয়েছেন কৃষ্ণা চক্রবর্তী। রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়নমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল এবং দফতরের সচিবের কাছেও পদত্যাগপত্রের কপি পাঠিয়েছেন কৃষ্ণা।
এবার বিধাননগর পুরনিগমের মেয়র কৃষ্ণা চক্রবর্তীর (Krishna Chakraborty) পদত্যাগ। ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে পদ ছাড়লেন কৃষ্ণা চক্রবর্তী। বিধাননগর পুরনিগমের কমিশনারের কাছে পদত্যাগের চিঠি জমা দিয়েছেন কৃষ্ণা চক্রবর্তী। রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়নমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল এবং দফতরের সচিবের কাছেও পদত্যাগপত্রের কপি পাঠিয়েছেন কৃষ্ণা। কাউন্সিলর হিসেবে কাজ চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি। গতকাল ফিরহাদ হাকিম কলকাতার মেয়র পদ থেকে পদত্যাগ করতে পারেন, এমন জল্পনা চলছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেই অনুমতি দিয়েছেন, কুণাল ঘোষ এমনটা দাবি করেছিলেন।

২০১৯ থেকে ২০২২, তার পর ২০২২ থেকে ২০২৬-এর ৪ জুন পর্যন্ত দু’দফায় বিধাননগরের মেয়র পদে ছিলেন কৃষ্ণা। মেয়র হিসাবে আরও প্রায় আট মাসের মেয়াদ বাকি ছিল কৃষ্ণার। ২০১৯-এর আগে বিধাননগরের মেয়র ছিলেন সব্যসাচী দত্ত। তার পর সব্যসাচীকে সরিয়ে কৃষ্ণাকে মেয়র পদে নিয়ে আসে তৃণমূল। আজকের সিদ্ধান্তের ফলে খুব স্বাভাবিকভাবেই বিধানসভা পুরনিগমও তৃণমূলের ছাড়া হবে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
মেয়রের ঘর থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন কৃষ্ণা চক্রবর্তী। তিনি বলেন, “পুরোপুরি ব্যক্তিগত কারণে পদত্যাগ করেছি। নিজের জন্য সময় দরকার। কাউন্সিলর হিসাবে কাজ করব। বিধাননগরের মানুষের কাছে অনেক ভালোবাসা পেয়েছি। আমি কৃতজ্ঞ।” দল বা কারও প্রতি অভিমান রয়েছে কি না? জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, “কারও প্রতি কোনও অভিমান নেই। অনেক ভালোবাসা পেয়েছি।”
বিধানসভা নির্বাচনে মুখ থুবড়ে পড়ার পর থেকেই ছন্নছাড়া দশা তৃণমূলের। একের পর এক কাউন্সিলর থেকে বরো চেয়ারম্যান পদত্যাগ করেছেন। বিধায়করা একের পর এক সরে দাঁড়িয়েছেন। বুধবার আচমকা রটে যায় যে কলকাতা পুরসভার মেয়র পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন ফিরহাদ হাকিম। যদিও তিনি নিজে সে কথা স্বীকার করেননি। পরে বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ জানান যে, ইস্তফার ইচ্ছে প্রকাশ করেছে ফিরহাদ। মমতা সম্মতি জানিয়েছেন।
