Asianet News Bangla

বেনজির হিংসায় আতঙ্ক, দিল্লি থেকে ফিরছেন মুর্শিদাবাদের শ্রমিকরা

 

  • বেনজির হিংসায় বিধ্বস্ত দিল্লি
  • আতঙ্ক গ্রাস করেছে মুর্শিদাবাদের শ্রমিকদের
  • ঘরে ফিরছেন সকলেই
  • স্বস্তিতে পরিবারের লোকেরা
     
Labours from Delhi returns from Delhi due to violence
Author
Kolkata, First Published Mar 1, 2020, 2:20 PM IST
  • Facebook
  • Twitter
  • Whatsapp

চেনা শহরটি যে এভাবে বদলে যাবে, তা ভাবতেই পারেননি কেউই। দিল্লিতে বেনজির হিংসার ঘটনায় আতঙ্ক গ্রাস করেছে মুর্শিদাবাদের শ্রমিকদের। ফিরে এসেছেন অনেকেই, ট্রেনে উঠে পড়েছেন বাকীরাও। বিপদের সময়ে শ্রমিকদের পাশে দাঁড়িয়েছেন তৃণমূল সাংসদ আবু তাহের।

মুর্শিদাবাদের নওদা থেকে কাজের সন্ধানে দিল্লিতে দিয়েছিলেন বহু শ্রমিক। কেউ দশ, তো কেউ আবার ১৫ বছর, প্রবাসে বহু বছর কাটিয়ে দিয়েছেন তাঁরা। আর এখন? সিএএ বিরোধী বিক্ষোভে বেনজির হিংসার বিধ্বস্ত দিল্লির জনজীবন। সংঘর্ষে প্রাণ হারিয়েছেন বহু মানুষ। বাদ যাননি পুলিশকর্মীরা। এক সপ্তাহে আগেও যে মহল্লায় চরম ব্যস্ততায় দিন কাটত, সেই মহল্লাতে কার্যত গৃহবন্দি হয়ে থাকতে হচ্ছে। বাড়িতে খাবার নেই, রাত কাটছে জল খেয়ে! মুর্শিদাবাদের থেকে যাঁরা দিল্লিতে কাজ করতে গিয়েছিলেন, ফিরে আসছেন তাঁরা সকলেই। 

আরও পড়ুন: দিল্লিতে কাজ করতে গিয়ে আক্রান্ত বাংলার শ্রমিক, আতঙ্কে পরিজনেরা

মুর্শিদাবাদের নওদার ত্রিমোহিনী গ্রামে থাকেন আনসারি শেখ। চার বছর ধরে দিল্লির একটি কারখানায় কাজ করছেন তিনি। থাকতেন গণ্ডাচক এলাকায়। বাড়ি ফিরে আনসারি শেখ জানালেন, 'সংঘর্ষের সময়ে বাইরে শুধু গুলির শব্দ শুনতে পেতাম। দরজা বন্ধ রাখার জন্য পালা করে ঠেস দিয়ে বসে থাকতাম। দু'রাত ঘুমোতে পারিনি। শেষপর্যন্ত পুলিশ গিয়ে আমাদের উদ্ধার করে।' দিল্লির জাফরাবাদ এলাকায় সংঘর্ষে মাঝে পড়ে দিয়েছিলেন কালাম শেখ। বরাতজোরে প্রাণে বেঁচে গিয়েছেন তিনি।  এমনই ভয়াবহ অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয়েছেন আরও অনেকেই।

আরও পড়ুন: দ্বিতীয় পর্বের 'জব ফেয়ার' মেদিনীপুর শহরে, এবার শূন্য পদ প্রায় সাড়ে তিনশো

দিল্লিতে জেলার শ্রমিকদের আটকে পড়ার খবর পেয়ে আর চুপ করে বসে থাকেননি মুর্শিদাবাদের তৃণমূল সাংসদ আবু তাহের। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর যোগাযোগ করেন তিনি। গন্ডাচক, জাফরাবাদের মতো এলাকায় পুলিশ পাঠিয়ে উদ্ধার করা হয় শ্রমিকদের। তাঁদের ঘরের ফেরার খবরে স্বস্তি ফিরেছে পরিবারেও।  

 

Follow Us:
Download App:
  • android
  • ios