আশিষ মণ্ডল, বীরভূম:  গ্রাহকদের নাম বদলে বানিয়ে ফেলেছেন একাধিক রেশন কার্ড! ডিলারের বিরুদ্ধে তদন্তের দাবিতে এবার জেলাশাসকদের দারস্থ হলেন গ্রামবাসীদের। ফের রেশন দুর্নীতির অভিযোগ বীরভূমের।

আরও পড়ুন: পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু ঘিরে উত্তেজনা, এলাকায় যান নিয়ন্ত্রণের দাবি স্থানীয়দের

বীরভূমের নলহাটির ২ নম্বর ব্লকের বারা ২ নম্বর পঞ্চায়েতের ভবানীপুর গ্রাম। এই গ্রামের রেশন ডিলার মহম্মদ মিশন আলি। নিজের বা পরিবারের লোকেদের নাম তো বটেই, মৃত লোকেদের  কার্ড চালু রেখেও তিনি রেশনের সামগ্রী আত্মসাৎ করছেন বলে অভিযোগ। গ্রাহকদের দাবি, বেশ কয়েকজনের নামে একটি অক্ষর বদলে দিয়ে একাধিক রেশন কার্ড তৈরি করা হয়েছে। এমনকী, এলাকায় থাকেননি, এমন লোকও বাদ যাননি। ভবানীপুর গ্রামের বাসিন্দা নইমুদ্দিন মণ্ডল, আরব আলি, আব্দুস সাত্তাররা বলেন, 'ডিলারের দুর্নীতির প্রমাণ দিয়ে  জেলা শাসক থেকে প্রশাসনের সর্বত্র অভিযোগ জানিয়েছি। কিন্তু কোন লাভ হয়নি। আমরা শেষ দেখে ছাড়ব।' 

আরও পড়ুন: 'হাইকোর্টের নির্দেশ না মেনে স্কুল-ফি বৃদ্ধি', প্রতিশ্রুতি ভাঙতেই প্রিন্সিপালের কুশপুতুল দাহ

 কী বলছেন প্রশাসনিক আধিকারিকরা? নলহাটি ২ নম্বর ব্লকের বিডিও  হুমায়ূন চৌধুরী বলেন, 'অভিযোগ যখন হয়েছে তখন তদন্তকরে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।' কিন্তু কবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে? অপেক্ষা দিন গুনছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। উল্লেখ্য, করোনা আতঙ্কের জেরে কিন্তু রেশন কার্ডের গুরুত্ব বেড়েছে।  লকডাউনের সময়ে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ কমাতে রেশন থেকে বিনামূল্যে খাদ্য সরবরাহ করার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। বিনামূল্যে রেশন মিলছে এখনও।