২০২১ সালে ভোপালের এমপি-এমএলএ আদালতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মানহানির মামলাটি দায়ের করেছিলেন প্রবীণ বিজেপি নেতা ও মন্ত্রী কৈলাস বিজয়বর্গীয়র ছেলে আকাশ বিজয়বর্গীয়। মামলায় অভিযোগ করা হয়েছিল যে, ২০২০ সালের নভেম্বরে কলকাতায় এক জনসভায় ভাষণ দেওয়ার সময় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ইন্দোরের প্রাক্তন বিধায়ক আকাশ বিজয়বর্গীয়কে 'গুণ্ডা' বলে অভিহিত করেছিলেন।
মানহানির একটি মামলায় তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে জারি করা গ্রেফতারি পরোয়ানার উপর থাকা অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ তুলে নিল মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্ট। বিচারপতি প্রমোদ কুমার আগরওয়ালের বেঞ্চ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আবেদনটি খারিজ করে দিয়েছে। এর ফলে ভোপালের একটি বিশেষ আদালতের জারি করা গ্রেফতারি পরোয়ানা কার্যকর করার উপর যে স্থগিতাদেশ (যা নভেম্বর ২০২৫-এ দেওয়া হয়েছিল) ছিল, তা প্রত্যাহার করা হল। এই সিদ্ধান্তের ফলে তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদকের আইনি জটিলতা আরও বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। তিনি ইতিমধ্যেই দুর্নীতির অভিযোগে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)-এর তদন্তের মুখোমুখি হচ্ছেন।

২০২১ সালে ভোপালের এমপি-এমএলএ আদালতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মানহানির মামলাটি দায়ের করেছিলেন প্রবীণ বিজেপি নেতা ও মন্ত্রী কৈলাস বিজয়বর্গীয়র ছেলে আকাশ বিজয়বর্গীয়। মামলায় অভিযোগ করা হয়েছিল যে, ২০২০ সালের নভেম্বরে কলকাতায় এক জনসভায় ভাষণ দেওয়ার সময় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ইন্দোরের প্রাক্তন বিধায়ক আকাশ বিজয়বর্গীয়কে 'গুণ্ডা' বলে অভিহিত করেছিলেন। এমপি-এমএলএ আদালত অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছিল, যার পরিপ্রেক্ষিতে তিনি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। হাইকোর্টে দায়ের করা আবেদনে তৃণমূল নেতা যুক্তি দিয়েছিলেন যে তিনি একজন সাংসদ এবং তাঁর পালিয়ে যাওয়ার কোনও সম্ভাবনা নেই। আবেদনের শুনানির পর সিঙ্গল বেঞ্চ ১২ নভেম্বর ২০২৫-এ গ্রেফতারি পরোয়ানা কার্যকর করার উপর স্থগিতাদেশ দিয়েছিল।
বুধবার শুনানির সময় আবেদনকারীর পক্ষে কেউ উপস্থিত ছিলেন না। এই অনুপস্থিতিকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে বেঞ্চ তাদের আদেশে উল্লেখ করে যে, মনে হচ্ছে আবেদনকারী মামলাটি এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছেন। বিচারপতি আগরওয়াল গ্রেফতারি পরোয়ানার উপর স্থগিতাদেশ তুলে নেন ও আবেদনটি খারিজ করেন এবং আদেশের একটি প্রতিলিপি ভোপালের আদালতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
