প্রতিদ্বন্দ্বীদের বিপুল ভোটে পরাস্ত করে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে তৃতীয়বারের জন্য নবান্নের দখল নিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সদ্যোই গঠন  করা হয়েছে তাঁর মন্ত্রিসভা। একনজরে দেখে নিন মমতার মন্ত্রীদের মধ্য  ক'জন মন্ত্রীর বিরুদ্ধে ফৌজদারী মামাল রয়েছে। আর ক'জন মন্ত্রী কোটিপতি। তথ্য সূত্র পশ্চিমবঙ্গ ইলেকশন ওয়াচ অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েশন ফর ডেমোক্রেটিক রিফর্ম বা ADR। বিধানসভা নির্বাচনে লড়াই করার জন্য নির্বাচন কমিশনে প্রার্থীরা যে হলফনামা দিয়েছিলেন সেখান থেকেই এই তথ্য গৃহীত হয়েছে।

মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায় সম্পর্কি বিস্তারিত তথ্যও রয়েছে সংস্থার হাতে । মমতা বন্দ্যোপাধ্যয়ে সম্পত্তির পরিমাণ ১৬ লক্ষের বেশি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্নাতকোত্ত ডিগ্রির অধিকারী। নিজেকে সমাজসেবী ও রাজনীতিবিদ বলেই নির্বাচন কমিশনের দেওয়া হলফনামায় জানিয়েছিলেন। 

সন্তানের জন্ম দিলেই দম্পতিকে নগদ টাকা, করোনাকালে জনসংখ্যা নীতিতে কী পরবর্তন আনছে চিন ...
পশ্চিমবঙ্গ নবনির্মিত বিধানসভায় মন্ত্রীদের মধ্যে ১২ জন মন্ত্রী নির্বাচনের আগে কমিশনকে দেওয়া হলফনামায় ঘোষণা করেছিলেন তাঁদের বিরুদ্ধে ফৌজদারী মামলা রয়েছে। গুরুতর ফৌজদারি মামলার কথা ঘোষণা করেছিলেন ৭ জন মন্ত্রী। এখানে গুরুতর ফৌজদারী মামলা হিসেবে বিবেচিত হয়েছে- যে অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি ৫ বছর বা তারও বেশি, জামিন অযোগ্য় ধারায় মামলা, নির্বাচন সংক্রান্ত অপরাধ, রাজস্বের ক্ষতি সম্পর্কিত অপরাধসহ একাধিক বিষয়।

করোনাভাইরাসের 'ভারতীয় রূপ' শব্দে আপত্তি কেন্দ্রের, পূর্ণ সমর্থন WHO-র ...  

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্ত্রীদের মধ্যে কোটিপতি মন্ত্রীর সংখ্যাটা খুব লম্বা। ৪৩ জনের মধ্যে ৩২ জনও কোটিপতি বলে নির্বাচন কমিশনের হলফনামায় জানিয়েছেন। শতাংশের বিচারে তা ৭৪ শতাংশ। বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে ৪৩ জন মন্ত্রীর গড় সম্পদের পরিমাণ ৪.২৯ কোটি টাকা। সবথেকে দামি মন্ত্রী কসবা বিধানসভা কেন্দ্র থেকে নির্বাচিত আহমেদ জাভেদ খান। হলফনামায় তিনি জানিয়েছিলেন তাঁর মোট সম্পত্তির পরিমাণ ৩২.৩৩ কোটি টাকা।  সবথেকে কম সম্পদের অধিকারী ঝাড়গ্রাম বিধানসভা থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতীকে জিতে আসা বীরবাহা হাঁসদা। তার মোট সম্পত্তির পরিমাণ ৩.০৬ লক্ষ টাকা। সাঁওতালি সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তিনি। রাজ্যের ২৪ জন মন্ত্রী জানিয়েছেন তাঁদের লাইয়াবেলিটিস বা দায় রয়েছে।  সেই তালিকাতেও শীর্ষে রয়েছে জাভেদ খান- তাঁর ঋণের বোঝা প্রায় ৪১.৫১ কোটি টাকা। 

"

ভোট পরবর্তী হিংসা দেখতে বৃহস্পতিবার জেলা সফরে রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়, যাবেন শীতলকুচিতে ...

এই রাজ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধরে মোট ৪৪ জন মন্ত্রী। তবে ভোট যুদ্ধে সামিল না হওয়ায় অমিত মিত্র সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য নেই এডিআর-এর হাতে।  তাই ৪৩ জন মন্ত্রীর মধ্যে ৯ জন মহিলা রয়েছেন।  রাজ্যের মন্ত্রীদের শিক্ষাগত যোগ্যাতাতে এগিয়ে রয়েছে স্নাতকোত্তর বা স্নাতোক মন্ত্রীর সংখ্যা। ৩২ জন (৭৪) শতাংশ মন্ত্রী এই বিভাগে পড়েন। মাত্র ১০ শতাংশ মন্ত্রীর শিক্ষাগত যোগ্যতা অষ্টম শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণির মধ্যে। আর এক মন্ত্রীর ডিপ্লোমা রয়েছে। রাজ্যের দুই মন্ত্রীর পড়াশুনা ক্লাস এইটস পর্যন্ত। আর দুই মন্ত্রীর হাতে রয়েছে ডক্টরেটের ডিগ্রি।  রাজ্যের ৩৬ জন মন্ত্রীর বয়স ৫১-৮০ বছরের মধ্যে। আর ১৬ শতাংশ অর্থাৎ ৭ মন্ত্রী রয়েছেন ৩০-৫০-এর কোটায়।