ছেলে মানসিক অবসাদগ্রস্ত। মায়ের সঙ্গে একেবারেই বনিবনা ছিল না তাঁর। কিন্তু তা বলে এমন যে ঘটনা ঘটবে, তা স্বপ্নেও ভাবতে পারেননি স্থানীয় বাসিন্দারা। শেষপর্যন্ত কিনা ছেলেরই হাতে খুন হয়ে গেলেন এক বৃদ্ধা! ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার সোনারপুরে। অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।\

আরও পড়ুন: পরনে শুধু অন্তর্বাস, গৃহবধূর অর্ধনগ্ন দেহ মিলল দেওরের বাড়িতে

মৃতার নাম কাননবালা কর্মকার। সোনারপুরের কামরাবাদের বাড়িতে একাই থাকতেন তিনি। একই জমিতে পাশাপাশি বাড়িতে থাকতেন ওই বৃদ্ধার চার ছেলে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, ১৮ বছরের আগে কাননবালার বড়ছেলে তারকনাথকে ছেড়ে চলে যান তাঁর স্ত্রী। তারপর থেকেই মানসিক অবসাদে ভুগতেন তিনি। ভাইদের সঙ্গে সুসম্পর্ক তো ছিলই না, মায়ের সঙ্গে রীতিমতো দুর্ব্যবহার করতেন তারকনাথ। তাঁর ধারণা ছিল, মায়ের অত্যাচারে স্ত্রী সংসার ছেড়ে চলে গিয়েছে। এমনকী, কাননবালাদেবী কালাজাদু জানতেন বলেও সন্দেহ করতেন ছেলে। এই নিয়ে রোজই মা ও ছেলের অশান্তিও হত।

আরও পড়ুন: দিল্লিতে কাজ করতে গিয়ে আক্রান্ত বাংলার শ্রমিক, আতঙ্কে পরিজনেরা

রবিবার সকালে যথারীতি মায়ের সঙ্গে বচসা বাঁধে তারকনাথের।  বচসা চালকালীন কাননবালাদেবীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁর বড়ছেলে কোপাতে শুরু করে বলে অভিযোগ। বৃদ্ধার চিৎকার ছুটে আসেন প্রতিবেশীরা। তারকনাথকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন তাঁরা। ঘটনাস্থলে গিয়ে মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে সোনারপুর থানার পুলিশ। গ্রেফতার করা হয়েছে 'গুণধর ছেলে'-কে।