উত্তম দত্ত, হুগলি:  বাথরুমেও রেহাই নেই! একা পেয়ে এক কিশোরীর 'শ্লীলতাহানি'র চেষ্টা করল এক ব্যক্তি। অভিযুক্তকে বাড়ি থেকে বের করে এনে বেধড়ক মারধর করলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। অর্ধেক মাথা কামিয়ে দেওয়া হল। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে হুগলির পাণ্ডয়ায়।

আরও পড়ুন: পাহাড় থেকে পিছলে পড়ে হাতির মৃত্যু, শোরগোল ডুয়ার্সে

জানা গিয়েছে,  নির্যাতিতা ওই কিশোরী স্কুল ছাত্রী। বয়স মোটে তেরো বছর। সোমবার সন্ধ্যার পর থেকে বাড়িতে একাই ছিল সে। ওই কিশোরীর অভিযোগ, আগে থেকে বাথরুমে লুকিয়ে ছিল কেষ্ট কর্মকার নামে এক ব্য়ক্তি। এরপর যখন সে বাথরুমে ঢোকে, তখন পিছন থেকে জড়িয়ে ধরে কেষ্ট। চিৎকার করলে গায়ে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার হুমকি দেয় অভিযুক্ত। কিন্তু তাতে কোনও লাভ হয়নি। উল্টে আরও জোরে চিৎকার করতে শুরু করে নির্যাতিতা কিশোরী। শেষপর্যন্ত পরিস্থিতি বেগতিক বুধে পালিয়ে যায় বছর পঞ্চাশের ওই ব্যক্তি। 

আরও পড়ুন: রাজ্য পুলিশে চাকরি দেওয়ার নামে 'প্রতারণা', গ্রেফতার মূল অভিযুক্ত-সহ ৪

এদিকে এই ঘটনার পর কিছুক্ষণ পরেই বাড়ি ফেরেন ওই কিশোরীর মা। মেয়ের কাছে সবটা জানতে পারেন তিনি। ঘটনাটি জানাজানি হয়ে যায় এলাকায়। আর কী! বাড়ি থেকে বের করে এনে অভিযুক্ত কেষ্ট কর্মকারকে বেধড়র মারধর করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। শুধু তাই নয়, মাথাও অর্ধেক কামিয়ে দেওয়া হয় তার। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। কোনওরকমে স্থানীয় বাসিন্দাদের হাত থেকে উদ্ধার করে কেষ্টকে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।