দেশ জুড়ে ধর্ষণে মৃত্যুদণ্ডের দাবি যখন ক্রমশই জোরালো হচ্ছে, তখন দক্ষিণ দিনাজপুরে ধর্ষণের চেষ্টার করার অপরাধে সাজা পেল এক ব্যক্তি। তাকে দশ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের নির্দেশ দিলেন বালুরঘাট জেলা দায়রা আদালতের বিচারক সুখেন্দু দাস। আদালতের রায়ে খুশি অভিযোগকারী গৃহবধূ ও তাঁর পরিবারের লোকেরা। 

আরও পড়ুন: রায়গঞ্জে সাত বছরের শিশুকে ধর্ষণ, বিচার করবে গ্রামের মাতব্বররা

ঘটনাটি বছর চারেকের আগের। ঘটনাস্থল দক্ষিণ দিনাজপুরের তপন ব্লকের মুরারিপুকুর গ্রামে। পুলিশ জানিয়েছেন, ঘটনার দিন বাড়িতে একাই ছিলেন এক গৃহবধূ। সেই সুযোগে বাড়িতে ঢুকে তাঁকে ধর্ষণের চেষ্টা করে সাধন বর্মন নামে এক ব্যক্তি। ওই গৃহবধূর চিৎকার শুনে যখন আশেপাশের লোকজন ছুটে আসেন, তখন চম্পট দেয় সাধন। তপন থানায় অভিযুক্তের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ওই গৃহবধূ।  অভিযুক্ত সাধন বর্মনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে একাধিক ধারায় মামলা রুজু করেন তদন্তকারী। চার বছর ধরে মামলা শুনানি বালুরঘাটে জেলা দায়রা আদালতে। গৃহবধূকে ধর্ষণের চেষ্টায় অভিযোগে সোমবার আদালতে দোষী সাব্যস্ত হয় অভিযুক্ত সাধন বর্মন। মঙ্গলবার সাজা ঘোষণা করলেন বিচারকরা।  

আরও পড়ুন: বাড়ির উঠোন ভয়ঙ্কর মাকড়সা, হুগলিতে ট্যারেন্টুলা আতঙ্ক, দেখুন ভিডিও

কয়েক দিন আগে হায়দরাবাদে এনকাউন্টারে নিহত হয় তরুণী পশু চিকিৎসককে ধর্ষণে চার অভিযুক্ত। খবর জানাজানি হতে দেশের সর্বত্রই উৎসবে মেতে ওঠেন সাধারণ মানুষ। রাতারাতি হিরো বনে যান সাইবারাদের পুলিশ কমিশনার ভিসি সাজ্জানার।  সেদিন ধর্মতলায় সংহতি দিবসে অনুষ্ঠানে  কিন্তু আইনি প্রক্রিয়ার ধর্ষকদের সাজার দেওয়ার পক্ষে সওয়াল করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বলেছিলেন,  বিচার ব্যবস্থায় আরও গতি আনতে হবে। আদালতে দ্রুত চার্জশিট দিয়ে দোষীদের বিচারের ব্যবস্থা করতে হবে।  হায়দরাবাদের ঘটনার পরপরই মালদহে এক যুবতীর অগ্নিদগ্ধ দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে অনুমান, তাঁকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে। সেই ঘটনায় পুলিশকে দ্রুত তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।