কাটোয়া-আজিমগঞ্জ শাখায় কর্ণসুবর্ণ ও গোবিন্দপুর স্টেশনের মাঝামাঝি একটি লেভেল ক্রসিংয়ে স্কুলগাড়িকে ধাক্কা মারল নিমতিতা-কাটোয়া প্যাসেঞ্জার ট্রেন। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় অন্তত ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও কয়েকজন। স্কুলগাড়িটি লেভেল ক্রসিং পার হওয়ার সময় দ্রুতগতিতে আসা নিমতিতা-কাটোয়া প্যাসেঞ্জার ট্রেন সেটিকে সজোরে ধাক্কা মারে।

সাতসকালে মুর্শিবাদাবাদে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। কাটোয়া-আজিমগঞ্জ শাখায় কর্ণসুবর্ণ ও গোবিন্দপুর স্টেশনের মাঝামাঝি একটি লেভেল ক্রসিংয়ে স্কুলগাড়িকে ধাক্কা মারল নিমতিতা-কাটোয়া প্যাসেঞ্জার ট্রেন। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় অন্তত ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও কয়েকজন। স্কুলগাড়িটি লেভেল ক্রসিং পার হওয়ার সময় দ্রুতগতিতে আসা নিমতিতা-কাটোয়া প্যাসেঞ্জার ট্রেন সেটিকে সজোরে ধাক্কা মারে। সংঘর্ষের জেরে গাড়িটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় রেল পুলিশ, স্থানীয় প্রশাসন এবং উদ্ধারকারী দল। স্থানীয় বাসিন্দারাও উদ্ধারকাজে হাত লাগান। আহতদের দ্রুত নিকটবর্তী হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তাঁদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে। ট্রেনের ধাক্কায় গুরুতর জখম স্কুলগাড়ির চালক। আহত হয়েছেন আরও কয়েকজন, তাঁদেরকে নিয়ে আসা হচ্ছে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজে।

জানা গিয়েছে, শুক্রবার সকাল ৭টা নাগাদ ডাউন লাইন ধরে তখন আসছিল নিমতিতা-কাটোয়া লোকাল। ঠিক তার আগেই আপ লাইন ধরে হাওড়াগামী নবদ্বীপ এক্সপ্রেস চলে যাওয়ার পর গোবিন্দপুর রেলগেটটি আর বন্ধ করা হয়নি। গেট খোলা দেখেই বেশ কয়েক জন স্কুল পড়ুয়াকে নিয়ে গাড়িটি রেললাইন পার হচ্ছিল। ঠিক সেই মুহূর্তেই তীব্র গতিতে আসা নিমতিতা-কাটোয়া লোকাল সরাসরি ধাক্কা মারে স্কুলভ্যানটিতে। ট্রেনের ধাক্কায় দুমড়েমুচড়ে যায় স্কুলগাড়িটি। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তিন স্কুলপড়ুয়া এবং এক স্থানীয় বাসিন্দার।

দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে বহরমপুর থানার পুলিশ। গুরুতর জখম অবস্থায় আরও চার পড়ুয়া এবং ওই গাড়ির চালককে উদ্ধার করে দ্রুত মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তাঁদের মধ্যে দু’জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। গাড়িতে মোট ১০ জন পড়়ুয়া ছিল বলে জানা গিয়েছে। এই ঘটনায় রেলের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভপ্রকাশ করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের দাবি, গেটম্যানের অসতর্কতাতেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। কারও কারও আবার দাবি, গেটম্যান নেশাগ্রস্ত অবস্থায় ছিলেন। তাই নির্দিষ্ট সময়ে লেভেল ক্রসিংয়ের গেট বন্ধ করেননি তিনি। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ ও রেল কর্তৃপক্ষ।