আলিপুরে সরকারি অফিসে আগুন। দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা পরিষেদের অফিস এটি। চারতলায় আগুন লাগে প্রথমে। আগুন অন্য তলাগুলিতেও ছড়িয়েছে। ঘটনাস্থলে গিয়েছে দমকলের বেশ ২টি ইঞ্জিন।
আলিপুরে সরকারি অফিসে আগুন। দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা পরিষেদের অফিস এটি। চারতলায় আগুন লাগে প্রথমে। আগুন অন্য তলাগুলিতেও ছড়িয়েছে। গোটা এলাকা মুহূর্তে কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায়। ঘটনাস্থলে গিয়েছে দমকলের বেশ ১০টি ইঞ্জিন। ভেতরে কারও আটকে থাকার খবর নেই। প্রহাথমিক অনুমান, এটি তে শর্ট সার্কিট থেকেই আগুন লেগে। প্রকৃত কারণ তদন্তের পরেও জানা যাবে।

জানা গিয়েছে, সকাল ৯টা ৫০ মিনিট নাগাদ আগুন দেখতে পান স্থানীয়রা। খবর যায় পুলিশ ও দমকলে। প্রথমে ঘটনাস্থলে দমকলের একটি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে আসে। যদিও সেই ইঞ্জনে জলের ফোর্স কম থাকার জন্য দ্বিতীয় ইঞ্জিন নিয়ে আসা হয়। তাতে আগুন নেভানোর কাজে কিছুটা দেরি হয়। অভিযোগ, দমকলের এই দেরির কারণে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে বহুতলের বাকি তলাগুলিতে। দাউ দাউ করে আগুন জ্বলতে থাকে ভেতরে। কালো ধোঁয়ায় গোটা এলাকা ভরে যায়। বহুতলের চারিদিকে গাছ থাকার কারণে ল্যাডার লাগাতে পারছেন দমকল কর্মীরা।
এই সরকারি অফিসের ঠিক পাশেই রয়েছে আলিপুর আদালত। ফলে সকালের ব্যস্ত সময়ে এই অগ্নিকাণ্ডের জেরে স্বভাবতই ব্যাপক আতঙ্ক ছড়ায় এলাকায়। তবে স্বস্তির খবর, বহুতল ভবনটির ভেতরে এই মুহূর্তে কেউ আটকে নেই বলে দমকল সূত্রে জানানো হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং বড়সড় বিপর্যয় এড়াতে ইতিমধ্যেই গোটা ভবনের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়েছে।
প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে, এসি অথবা শর্ট সার্কিটের জেরে এই পরিণতি। তবে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে না আসা পর্যন্ত অগ্নিকাণ্ডের সঠিক কারণ বলা সম্ভব নয় বলেই জানিয়েছেন আধিকারিকরা।
