'জয়প্রকাশদা মাননীয় প্রার্থী। তাঁর উপর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পোষ্য গুন্ডাদের জঘন্য ও নোংরা আচরণে উচিত শিক্ষা ও কঠোর শাস্তি দিন।' করিমপুরের মানুষদের কাছে আবেদন জানালেন আসানসোলের বিজেপি সাংসদ ও মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়। তাঁর টুইট, 'দলে দলে বুথে যান ও নর্দমার রাজনীতি করা তৃণমূল ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিপুল ভোটে পরাস্ত করুন।'

আরও পড়ুন: লাথি খেয়ে ঝোপে জয়প্রকাশ, তৃণমূলের দাবি গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জের

দু'জন বিধায়ক সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন, আর একজন প্রয়াত হয়েছেন। সোমবার সকাল থেকে উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে নদিয়ার করিমপুর, পশ্চিম মেদিনীপুরের খড়গপুর সদর আর উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জে।  খড়গপুর ও কালিয়াগঞ্জে এখনও পর্যন্ত অশান্তির তেমন কোনও খবর নেই। তবে উত্তপ্ত করিমপুর। সোমবার সকালে যখন ঘিয়াঘাটা ইসলামপুর প্রাথমিক স্কুলের বুথে যান বিজেপি প্রার্থী জয়প্রকাশ মজুমদার, তখন তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন তৃণমূলকর্মীরা। এমনকী, পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর সামনেই জয়প্রকাশের উপর রাজ্যের শাসকদলের কর্মী-সমর্থকরা চড়াও হন বলেও অভিযোগ। কিল-চড়-ঘুসি বাদ যায়নি কিছুই। শেষপর্যন্ত লাঠি মেরে রাস্তার পাশে ঝোপে ফেলে দেওয়া হয় করিমপুরের বিজেপি প্রার্থী জয়প্রকাশ মজুমদারকে।  ঘটনার রিপোর্ট তলব করেছে নির্বাচন কমিশন।

করিমপুরে দলের প্রার্থীকে মারধরের ঘটনায় মুখ খুলেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তাঁর প্রতিক্রিয়া, হারবে বুধেই জয়প্রকাশ মজুমদারের উপর হামলা চালিয়েছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। জয়প্রকাশ মজুমদারের উপর হামলার প্রতিবাদে  নদিয়ার রানাঘাট-সহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত পথে নেমেছেন বিজেপি কর্মীরা। চলছে পথ-অবরোধ, বিক্ষোভ।