বাড়িতে ঢুকে নাবালিকা ধর্ষণ করাই শুধু নয়,  মোবাইলে সেই ঘটনার ভিডিও-ও তুলে রাখে অভিযুক্তেরা।  নির্যাতিতা যদি কাউকে কিছু বলে, তাহলে সেই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছে তারা। অভিযোগ তেমনটাই। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে দক্ষিণ ২৪ পরগণার সোনারপুরে। দু'জনকে গ্রেফতারও করেছে পুলিশ। 

একেবারেই হতদরিদ্র পরিবার। নুন আনতে পান্তা ফুরানোর অবস্থা। সোনারপুরে বাবা-মায়ের সঙ্গে থাকে নির্যাতিতা কিশোরী।  তার মায়ের আবার দুটি কিডনিই বিকল। ডায়ালিসিস করার জন্য নিয়মিত হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয়। নির্যাতিতার দাবি,  ডায়ালিসিস করাতে মা-কে নিয়ে যখন বাবা হাসপাতালে যান, তখন বাড়িতে একাই থাকতে হয় তাঁকে। সেই সুযোগেই বাড়িতে  ঢুকে ওই কিশোরীকে এলাকার এক যুবক ধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ। এখানেই শেষ নয়। নির্যাতিতা কিশোরীর বক্তব্য, গত মঙ্গলবার বাড়ির সামনেই তাঁর মোবাইলটি ছিনতাই করে নিয়ে যায় অভিযুক্তেরা। মোবাইল আনতে গেলে ফাঁকা মাঠে নিয়ে গিয়ে ওই কিশোরীকে ফের ধর্ষণ করে অভিযুক্ত ও তার চার বন্ধু। এমনকী, মোবাইলে ধর্ষণের ভিডিও তুলে রাখে তাঁরা। ঘটনায় কথা কাউকে বললে ধর্ষণের ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল করার হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।   

প্রথমে ভয়েতে বাড়িতে কিছু জানায়নি ওই কিশোরী। অন্তত তেমনই দাবি তার বাবা।  তিনি জানিয়েছেন, মেয়ের সঙ্গে যে এমন ঘটনা ঘটেছে, সেকথা পাড়ার ছেলেদের কাছ থেকে জানতে পারেন।  এরপর ওই কিশোরীকে চেপে ধরেন তার বাবা। প্রথমে বলতে না চাইলেও, শেষপর্যন্ত সে ভেঙে পড়ে বলে জানা গিয়েছে।   সোনারপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে নির্যাতিতার পরিবারের লোকেরা। দুইজনকে গ্রেফতারও করেছে পুলিশ। এদিকে এই ঘটনা জানাজানি হতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।

এর আগে খাস কলকাতায় দেড় বছর ধরে এক নাবালিকা ধর্ষণ করার অভিযোগ ওঠে তারই এক আত্মীয়দের বিরুদ্ধে। অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ। নির্যাতিতার দাবি, পুরীতে বেড়াতে গিয়ে পোশাক বদলের সময় তার নগ্ন ছবি তোলে ওই আত্মীয়।  সেই ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় আপলোড করার ভয় দেখিয়ে ওই কিশোরীকে লাগাতার ধর্ষণ করা হয়েছে অভিযোগ।