ব্রিগেডে নরেন্দ্র মোদীর জনসভা থেকে রাজ্যের মুখ্য়মন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কড়া আক্রমণ করলেন মিঠুন চক্রবর্তী। তিনি বলেন, মমতা মিথ্যাবাদী। এরকম মিথ্যাবাদী মুখ্যমন্ত্রী আগে দেখেননি। এছাড়াও, মিঠুনের অভিযোগ, মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের সরকার রাজ্যের শিক্ষা ও কর্ম ব্যবস্থা ভেঙে দিয়েছেন। তাতে সমাজের মেরুদণ্ডটাই ভেঙে গিয়েছে।
ব্রিগেডে নরেন্দ্র মোদীর জনসভা থেকে রাজ্যের মুখ্য়মন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কড়া আক্রমণ করলেন মিঠুন চক্রবর্তী। তিনি বলেন, মমতা মিথ্যাবাদী। এরকম মিথ্যাবাদী মুখ্যমন্ত্রী আগে দেখেননি। এছাড়াও, মিঠুনের অভিযোগ, মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের সরকার রাজ্যের শিক্ষা ও কর্ম ব্যবস্থা ভেঙে দিয়েছেন। তাতে সমাজের মেরুদণ্ডটাই ভেঙে গিয়েছে।
বক্তব্য রাখতে উঠে শুরু থেকেই মমতাকে আক্রমণ করেন প্রবীণ অভিনেতা। বলেন, "লোককে বলছেন, আমরা ৫০০ টাকা দিয়ে নাকি লোক এনেছি। তাহলে ভাবুন আপনি ১৫০০ টাকা দিয়ে কত লোক আনেন। লোক জমে না। এজন্য এই ভাতা ওই ভাতা দিয়ে লোককে টুপি পরান। উনি বলেছেন, আমাদের গলায় দড়ি দিয়ে মরতে। আমরা মরব, কিন্তু আপনি কথা দিন, আপনি রেললাইনে মাথা দিয়ে দেবেন।' ব্রিগেডের সভায় মিঠুন বললেন, 'আমি বলি উনি ভারতের সবচেয়ে বড় ১০ জন রাজনীতিবিদদের মধ্যে একজন। অনেকে তাতে আপত্তি করত। কিন্তু আমি এটা বলি কারণ উনি জানেন কীভাবে একটা সমাজের মেরুদণ্ড ভেঙে দিতে হয়। শিক্ষা ও কর্ম ব্যবস্থা উনি ভেঙে দিয়েছেন। ওই জন্যই আমি এটা বলেছি। আমরা রাজ্যে ক্ষমতায় আসলে আসল পরিবর্তন হবে। আদিবাসীদের বলব, আপনাদের কষ্ট দূর করব। আমি গ্যারান্টি দিচ্ছি। যে আলু চাষিরা কষ্ট পাচ্ছেন, তাঁদের বলতে চাই, আমরা ক্ষমতায় আসলে প্রথম কাজ আপনাদের জন্য করব।'
সম্প্রতি, ধর্মতলার ধর্না মঞ্চে দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, "আমরা আছি বলে আপনারা সবাই ভাল আছেন। যদি আমরা না-থাকি, কোনও দিন সেই রকম আসে, এক সেকেন্ড লাগবে। একটা কমিউনিটি (সম্প্রদায়) যখন জোট বাঁধে না, ঘিরে ফেললে এক সেকেন্ডে দেবে একদম বারোটা বাজিয়ে। যদি নিজেদের ১৩টা বাজাতে না চান তাহলে বিজেপির অপ্রচারে কোনও দিন ভুল বুঝবেন না।"
কারও নাম নেননি তৃণমূল সুপ্রিমো। তবে ভোটের মুখে এমন মন্তব্যকে হাতিয়ার করে বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর গায়ে আরও একবার তোষণের রাজনীতির তকমা সেঁটে দিয়েছে বিজেপি। মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্য নিয়ে পাল্টা ‘সাম্প্রদায়িকতা’র অভিযোগ উঠেছে। এনিয়েও মুখ খোলেন মিঠুন। বলেন, "বাঙালি হিন্দুরা বেঁচে আছে। পুলিশকে বলুন নিরপেক্ষ হয়ে যেতে। ৩০ সেকেন্ডে খেলা শেষ করে দেব। উনি জানেন একটা সমাজের মেরুদণ্ড ভাঙতে কী লাগে। উনি শিক্ষাব্যবস্থা ভেঙে দিয়েছেন।'
