Asianet News Bangla

চন্দননগরের আলোয় এবার ফুটে উঠবে ভারতের চন্দ্রাভিযান, দেখা যাবে কলকাতার নামী পুজোয়

  • চন্দনগরের আলোর এবার আকর্ষণ ভারতের চন্দ্রাভিযান
  • দুর্গাপুজোর আলোকসাজ তৈরি করতে এখন ব্যস্ততা তুঙ্গে
  • চন্দ্রাভিযান, অ্যানাকোন্ডার মতো বিভিন্ন বিষয়কে আলোর সাজে ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে
Moon mission of India will be the main attraction of Chandanagore lighting this year
Author
Kolkata, First Published Sep 3, 2019, 3:09 PM IST
  • Facebook
  • Twitter
  • Whatsapp

চন্দননগর আলো ছাড়া দুর্গা পুজো অসম্পূর্ণ। চন্দনগরের আলোক শিল্রীরা প্রতি বছর নতুন নতুন কী চমক দেবেন, তা দেখার অপেক্ষাতেই থাকেন সাধারণ মানুষ। পুজোয় ঠাকুর দেখার সঙ্গে সঙ্গে চন্দননগরের আলো কারুকার্য উপভোগ করাটাও অন্যতম বড় আকর্ষণ। 

চন্দননগরের যে শিল্পীদের কদর পুজো উদ্যোক্তাদের মধ্যে সবথেকে বেশি, তাঁদের মধ্যে অন্যতম বাবু পাল। পুজোর আর একমাসও বাকি নেই। তাই দম ফেলার সময় নেই বাবু পালের। এ বছরও কলকাতার বিখ্যাত শ্রীভূমি স্পোর্টিংয়ের পুজোয় আলোকসজ্জার দায়িত্বে থাকছেন তিনি। আর এ বছর শ্রীভূমির জন্য তাঁর মূল আকর্ষণ, আলোর সাজের মাধ্যমে ভারতের চন্দ্রাভিযান ফুটিয়ে তোলা। এর পাশাপাশি অ্যামাজনের অ্যানাকোন্ডাও আলোর সাজে ফুটিয়ে তুলছেন তিনি। এলইডি দিয়ে তৈরি এই সমস্ত আলোকসজ্জা তৈরি করতে চন্দননগর চাঁপাতলায় বাবু পালের কারখানায় প্রায় পঞাশজন শ্রমিক দিনরাত কাজ করে চলেছেন।

শ্রীভূমির পাশাপাশি মুর্শিদাবাদের বেলডাঙার একটি বনেদি বাড়ির পুজোতেও আলোর কাজ করছেন বাবু পাল। সেখানে আলো দিয়ে ফুটিয়ে তোলা হবে মালয়েশিয়ার টুইন টাওয়ারকে। এ ছাড়াও দক্ষিণ চব্বিশ পরগণার বজবজে আরও একটি বারোয়ারি পুজোতেও দেখা যাবে তাঁর আলোকসজ্জা। 

পুজো মিটলেই অবশ্য ব্যস্ততা কমবে না বাবু পালের। দীপাবলি. জগদ্ধাত্রী পুজো তো রয়েইছে, তার পাশাপাশি কেনিয়ার নাইরোবিতে একটি পার্কে স্থায়ী আলোকসজ্জা তৈরি করার বরাতও পেয়েছেন চন্দনগরের এই শিল্পী। সেখানে এলইডি আলোর সাজে হাতি, ময়ূর, ডাইনোসরের মতো বিভিন্ন প্রাণীদের ফুটিয়ে তোলা হবে। এর আগে ২০১৬ সালে দীপাবলিতে মুম্বইতে অমিতাভ বচ্চনের দু'টি বাংলো জলসা এবং প্রতীক্ষা সাজিয়ে দেওয়ার দায়িত্ব পেয়েছিলেন বাবু পাল। 

Follow Us:
Download App:
  • android
  • ios