বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি মুকুল দায়িত্ব নিয়েই মুখ খুললেন কৃষি বিলের পক্ষে দিলীপ ঘোষের 'দাপটে কোণঠাসা' ছিলেন মুকুল কৃষকদের সুবিধার্থেই এই কৃষি বিল, মন্তব্য মুকুলের

উত্তম দত্ত, হুগলি-তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে গিয়েছিলেন তিন বছর আগে। তারপর থেকে পঞ্চায়েত ও লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির সমর্থনে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলেছেন। লোকসভা ভোটেও বাংলায় বিজেপির আঠারো আসন দখল করার পিছনে মুকুল রায়ের ভূমিকা অপরিসীম ছিল বলে আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছিল রাজ্য রাজনীতিতে। কিন্তু তারপর থেকে ক্রমশ তিনি কোণঠাসা হয়ে পড়েন। এমনকি বিজেপির রাজ্য সভাপতির দিলীপ ঘোষের দাপটের জেরে মুকুল রায়কে সেভাবে প্রকাশ্যে মন্তব্য করতে দেখা যায়নি। এমনকি বিজেপি ছেড়ে তিনি তৃণমূলে যাচ্ছেন বলেও জল্পনা শুরু হয়েছিল।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

ক্রমশ এগিয়ে আসছে একুশের বিধানসভা ভোট। তার আগে দক্ষ সংগঠককে হিসেবে পরিচিত মুকুল রায়কে সর্বভারতীয় স্তরে গুরুত্ব দিল ভারতীয় জনতা পার্টি। সর্বভারতীয় সহ-সভাপতির পদে মুকুল রায়ের নাম ঘোষণা করেন দলের সভাপতি জে পি নাড্ডা।

আরও পড়ুন-বিজেপি-র সংগঠনে বড়সড় রদবদল, টিম নাড্ডায় জাতীয় পদ পেলেন মুকুল-অনুপম

সর্বভারতীয় সহ সভাপতির পদ পেয়ে মুকুল রায় বলেন, ''আমাকে সর্বভারতীয় স্তরে সহ-সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ধন্যবাদ জানাই, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে। ধন্যবাদ জানাই, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে। আমার উপর যে আস্থা রেখে গুরুত্ব দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, আমি চেষ্টা করব সেই দায়িত্ব পালন করার। আগামী বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের সঙ্গে কাজ করে সবাই মিলে চেষ্টা করব পশ্চিমবঙ্গে বিজেপিকে ক্ষমতায় আনা''।

আরও পড়ুন-রাজনৈতিক সংঘর্ষে উত্তপ্ত ময়না, অভিযুক্তদের খুঁজতে গিয়ে উদ্ধার প্রচুর বোমা

পাশাপাশি, হুগলিতে সাংবাদিক সম্মেলনে কেন্দ্রীয় কৃষি বিলের পক্ষেও সওয়াল করেন মুকুল রায়। তিনি বলেন, ''এই বিলে নিয়ে মিথ্যে খোঁচা দিচ্ছে বিরোধীরা। কৃষকরা তাঁদের পরিশ্রমের ফসল সরাসরি বাজারে বিক্রি করতে পারবেন। দালাল বা ফড়েদের হাত ফসল বাঁচিয়ে সরাসরি বিক্রি করে বেশি মুনাফা পাবেন চাষিরা''।