Nandigram By-Poll: নন্দীগ্রামে ভোটগণনায় ১ লক্ষের বেশি ভোটে এগিয়ে বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথ! গণনার সর্বশেষ ট্রেন্ডে কে কত ভোটে পিছিয়ে, জানুন এক নজরে।
১৩ রাউন্ডের গণনা শেষ। নন্দীগ্রামে জয় প্রায় পাকা করে ফেললেন বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথ। ১৩ রাউন্ড গণনার শেষে তিনি ১ লক্ষ ৫ হাজার ৮৫৪ ভোটে এগিয়ে রয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ছেড়ে যাওয়া আসনে উপনির্বাচন। সেখানেই শুভেন্দু অধিকারী প্রার্থী করেছিলেন, তাঁর নিহত আপ্তসহায়ক হাসিরানি রথকে। শুভেন্দু অধিকারী শুধু প্রার্থী করেননি হাসিরানিকে। তাঁর হয়ে লাগাতার প্রচার করেছেন। পাল্টা হাসিরানিকে জয়ের টার্গেটও সেট করে দিয়েছিলেন। শুভেন্দুর বেঁধে দেওয়া টার্গেটের কাছে রয়েছেন হাসিরানি।
শুভেন্দু অধিকারীর বার্তা
বিজেপি পশ্চিমবঙ্গে দ্বিতীয়বার সরকার গঠনের পরে এটাই প্রথম নির্বাচন। সেখানে রীতিময় জয়ের দোরগোড়ায় পৌঁছে গেছে বিজেপি। উপনির্বাচনের ফল নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, 'দুই কেন্দ্রেই রাষ্ট্রবাদী শক্তি জিততে চলছে।' পঞ্চম রাউন্ড গণনার পর থেকেই নন্দীগ্রাম আর রেজিনগর দুই কেন্দ্রে এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। যতসময় গেছে ততই বিজেপি প্রার্থীরা ব্যবধান বাড়িয়ে গেছে। হাসিরানির সঙ্গে জয়ের দোরগোড়়ায় পৌঁছে গেছেন রেজিনগরের বিজেপি প্রার্থী শাখারভ সরকার। মুসলিম অধ্যুসিতে রেজিনগরেও পদ্ম ফুটতে চলেছে শুভেন্দু অধিকারীর জমানায়।
নন্দীগ্রাম উপনির্বাচন
নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে প্রথম স্থানীয় রয়েছে বিজেপির হাসিরানি রথ। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধান। তৃতীয় স্থানে সিপিআই প্রার্থী। চতুর্থস্থানে আইএসএষ পঞ্চম স্থানে গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস। যদিও মাত্র ৪০-৪২টি ভোট পেয়েছে ঋতব্রত তৃণমূলের প্রার্থীরা।
ফলতার রেকর্ড ভাঙলেন হাসিরানি রথ
ফলতায় ভোট জেতার ব্যবধান ছিল ১ লক্ষ ৯ হাজার। আর নন্দীগ্রামে হাসিরানি রথ ১ লক্ষ ২২ হাজারের বেশি ভোটে জয়ী হতে চলেছেন তিনি। কার্যত অপ্রতিদ্বন্দ্বী জয় বলেও দাবি করেছে বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। এখনও ভোটের ফলাফল প্রকাশ হয়নি। কিন্তু তার আগেই ১ লক্ষের ব্যবধান ছাড়িয়ে দিয়েছেন বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথ। ভোটের আগেই একাধিক বিতর্কের মুখে পড়েছিলেন হাসিরানি। বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথের মাধ্যমিক পাসের সাল তার জন্ম সালের এক বছর আগে। যা নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টেও মামলা হয়েছিল। যদিও কলকাতা হাইকোর্ট উপনির্বাচনে লড়া থেকে তাঁকে বিরত রাখেননি। অন্যদিকে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে পুরনো একটি মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছিল। সবমিলিয়ে ভোটের আগে থেকেই রীতিমত উত্তপ্ত ছিল নন্দীগ্রাম।


